টেকনাফের ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে গত ১৭জুলাই থেকে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ধারাবাহিক সচিত্র প্রতিবেদন করায় দৈনিক আজকের দেশবিদেশ, সিবিএন, নিউ নেশন ও ডেসটিনি পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন টিপুকে হোয়াইক্যং ইউপির ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে মামলার আসামি করা হয়েছে। যা খুবই দু:খজনক ও বিভ্রান্তিমূলক। হোয়াইক্যং ইউপির ঘটনার দিনও পেশাদারিত্বের খাতিরে বিভাজন নিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার ছবিযুক্ত এবং ইউএনও, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সম্বলিত একটি প্রতিবেদন লিখেন সাংবাদিক টিপু। ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে করা ওই সচিত্র প্রতিবেদনটি কতিপয় লোকের স্বার্থে আঘাত হানলেও বেশীর ভাগ মানুষের মনের আকুতিই প্রস্ফুটিত হয়েছে। উল্লেখ করা দরকার,সাংবাদিক জসিম শুধু ২৪ জুলাই ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে প্রতিবেদন করেননি। এর অনেক আগে থেকেই (১৭ জুলাই ২০২৬ ইংরেজি) “টেকনাফে ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি; নেতৃত্বের দ্বন্ধে বাড়ছে জনভোগান্তির শংকা” শিরোনামে তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেন। ইউনিয়ন বিভক্তিতে জনগণের লাভ-ক্ষতি কি? বিশ্লেষণধর্মী একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। মুলত এরপর থেকেই ইউনিয়ন বিভক্তির পক্ষের কিছু দলীয় নেতা-কর্মী সাংবাদিক জসিমের উপর চরম ক্ষিপ্ত। কারণ প্রতিবদনে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন; ইউনিয়ন বিভক্তি হলে এলাকায় এলাকায় ইয়াবা সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের নেতৃত্বের দ্বন্ধ তৈরী হবে। পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গ্রুপিং এবং হানাহানিতে লিপ্ত হবে। নাগরিক সেবা গ্রহণে চরম ভোগান্তিতে পড়বে। মর্মে জনগণের মতামত সম্বলিত অনুসন্ধানি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন। এছাড়া সম্প্রতি যুবদল নেতার নেতৃত্বে টেকনাফ সরকারী ভবন দখলসহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক এসব প্রতিবেদনে দলের কতিপয় নেতা এবং কর্মীরা সাংবাদিক টিপুকে নিয়ে অনেক ধরণর মাথব্যাথা শুরু করেন। বিভিন্ন সময়ে তারা আলাপ আলোচনা করেন জসিম উদ্দিন টিপুর কলম স্তব্ধ করে দিতে হবে। না দিলে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। দলের লোকদের সাব ঠিকাদারী কাজে অনিয়ম টনিয়ম নিয়েও সে বেশী নিউজ করে। এসব কারণেই হোয়াইক্যং ইউপিতে বিক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক ভাংচুরের ঘটনায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। টেকনাফের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজ টিপুকে হোয়াইক্যংয়ের ঘটনায় অহেতুক মামলায় জড়িয়ে দেওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, জসিম উদ্দিন টিপু টেকনাফ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক, টেকনাফ সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম আহবায়ক ও একজন সিনিয়র সাংবাদিক। তিনি সাংবাদিকতার শুরু থেকে মাদক ও মানবপাচারসহ যাবতীয় অপরাধ এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আছেন এবং আগামীতেও থাকবেন। অপরাধ ও অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে সদা বলিষ্ট ভুমিকা পালনকারী সাংবাদিক টিপুর সাহসী ভুমিকাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিয়ে কখনো রুঁখে দেওয়া যাবেনা। বরঞ্চ তিনি আরো বেশী বেশী সাহসী এবং অনুসন্ধানী রিপোর্ট করে সমাজের অসঙ্গতি ও অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করেই যাবেন।