নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউপির তুমব্রু পশ্চিমকুল এলাকার রিফাত ছিলেন একজন বেকার যুবক। অন্ধকার জগতে পা রাখার পর পরই সে আর পিছনে ফিরতে হয় নাই। রাতা রাতি বনে জান মাদক সম্রাটের মাফিয়া ডন।
এদিকে ঘুমধুমের তুমব্রু পশ্চিমকুল এলাকার আব্দু রশিদের ছেলে রিফাত গত ২০২১ ১৬ই সেপ্টেম্বর ৭০ লক্ষ টাকার ৭টি স্বর্ণের বারসহ রামু ব্যাটালিয়েন (৩০) বিজিবি মরিচ্যা চেকপোষ্টে আটক হয়ে কারাগারে গেলেও মোটা টাকার মিশন সফল করে দ্রুত সময়ে বের হয়ে আসেন কারাগার থেকে।
একাধিক স্থানীয়রা নাম প্রকাশ নাকরার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, পশ্চিমকুল এলাকার আব্দু রশিদের ছেলে রিফাত শুধু স্বর্ণ চোরাকারবারী নয় সে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। তার নেতৃত্বে সীমান্তের ওপার থেকে চোরাই স্বর্ণ, বিদেশী সিগারেট, অবৈধ পথে আসা গরুসহ সব ধরনের অবৈধ ব্যবসার মুলহোতা এই রিফাত।
অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে অবৈধ কারবারী রিফাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য, গত কিছুদিন আগে চোরাকারবারীদের হাতে খুন হয় একই এলাকার টমটম ড্রাইভার জহুর আলম। সেই চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের মুখোশধারী সদস্য ছিল রিফাত। হত্যা মামলার পলাতক আসামী ও চিহিৃত কারবারীদের সাথে তার সখ্যতা বেশ পূরনো। সেই সিন্ডিকেটের সদস্য দ্বার পশ্চিমকুলে রয়েছে তাদের বিশাল গরুর খামার অথচ সেই খামারে দিব্যি মায়ানমার থেকে গরু মহিষ এনে মজুদ করছে বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। এবং স্থানীয় সুশিল সমাজ মনে করেন অবৈধ কারবারের সম্রাট রিফাতকে দ্রুসময়ে গ্রেফতার করলে এলাকার অবৈধ ব্যবসা বন্ধ ও শান্তি ফিরে আসবে বলে মত প্রকাশ করেন। এবং রিফাতকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের কাছে যোর দাবী জানান।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একেম জাহাঙ্গীর আজিজ এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার ইউনিয়নে যারা অবৈধ ব্যবসায় জড়িত তারা আমাদের শত্রু ও এলাকার শত্রু। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) টানটু সাহ বলেন, মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান চলমান আছে। অপরাধী যত শক্তিসালী হউক তাদের ব্যাপারে কোন ছাড় নাই।01575691211