
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণে কাজ পেলো চীনা প্রতিষ্ঠান।মঙ্গলবার দুপুরে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে ।
এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দফতরে বেবিচক কর্তৃপক্ষ ও চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটারওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো-চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিপত্রে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান এবং চীনা প্রতিষ্ঠানটির অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. ইয়াং জিজুন স্বাক্ষর করেন।
কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন প্রদান করেন।
সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আকাশ পথে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করার উদ্দেশে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে সুপরিসর বিমান চলাচল উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি গৃহীত হয়।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বড় উড়োজাহাজ কক্সবাজারে যাতায়াত করতে পারবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের মহেশখালী চ্যানেলের দিকে পুনঃনির্মাণ প্রক্রিয়ায় আরও ১৭০০ ফুট রানওয়ে সম্প্রসারিত হবে।