উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টাকালে আটক ২৩ রোহিঙ্গাকে আদালতের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাদের টেকনাফ ও উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ফেরত পাঠানো হবে।
গতকাল তাদের ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে তারা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জবানবন্দি দেয়।
এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আটক আইয়ুব ও আসমা আক্তার নামে এক রোহিঙ্গা দম্পতি এবং ওয়ালিদ হোসেন কাজল ও দালাল মোশারফ হোসেন সিপনকে এক দিন করে চার দিনের রিমান্ডে এনেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গত শুক্রবার ভোরে রাজধানীর খিলক্ষেতে মধ্যপাড়া এলাকার কহিনুর ভিলা থেকে ২৫ রোহিঙ্গা নাগরিকসহ ২৭ জনকে আটক
করা হয়। এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) মোখলেসুর রহমান গতকাল শনিবার বলেন, রিমান্ডে নেওয়া রোহিঙ্গা দম্পতি বাংলা জানে। তাদের দিয়ে ২৩ রোহিঙ্গাকে বাংলা ভাষা শেখানো হচ্ছিল। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন অতিক্রম করার সময় যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় তা বাংলায় ওই সব রোহিঙ্গাকে শেখানো হয়।
আর এই রোহিঙ্গাদের দালাল হিসেবে কাজ করেছে ইব্রাহিম খলিল। তার বাসা মালিবাগে। কিন্তু ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিমকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মেয়ের জামাতা মোশারফ হোসেন সিপনকে আটক করা হয়। সিপনও রোহিঙ্গাদের দালাল হিসেবে কাজ করে। খিলক্ষেতের ওই বাসা ভাড়া নিয়েছিল ওয়ালিদ হোসেন কাজল। রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করায় তাকেও আটক করা হয়। সে এর আগে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে মালয়েশিয়ায় পাচার করেছে বলে জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ৫৬টি পাসপোর্টের মধ্যে দুটি পাসপোর্ট একই নামে। তবে এই ৫৪টি পাসপোর্ট জাল না সঠিক তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।