করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন কক্সবাজার জেলার নিবন্ধিত ২৩ হাজার ২২৭ জন টিকা গ্রহীতা। পর্যাপ্ত ডোজ না থাকায় এবং মজুত ভায়াল শেষ হওয়ার আগে পুনরায় ভ্যাকসিনের চালান না আসলে তাদের অপেক্ষমান থাকতে হবে, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কক্সবাজার শহরের গাড়িরমাঠ এলাকার ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলামের করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের তারিখ ছিল ২ জুন। ওই দিন বেলা ১১টায় তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে গিয়ে জানতে পারেন, টিকার মজুত শেষ। টিকা প্রয়োগও বন্ধ আছে। আমিরুল ইসলাম (৬২) বলেন, দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে বিলম্ব হলে সমস্যা দেখা দেবে কি না, এ নিয়ে উদ্বিগ্ন আছেন তিনি।
একইভাবে টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা আবুল কালাম এবং উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের গিয়াস উদ্দিন বলেন, আড়াই মাস আগে তাঁরা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন। এখন দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের সময়সীমা শেষ হয়েছে সাত-আট দিন আগে। নতুন টিকা কখন নিতে পারবেন, সেই নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না কোথাও।
সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, জেলায় মোট টিকা পাওয়া গেছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ ডোজ। ইতিমধ্যে প্রয়োগ হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৫ ডোজ। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৭১ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫৬ হাজার ৭৪৪ জন। দ্বিতীয় ডোজের টিকার জন্য অপেক্ষায় আছেন আরও ২৩ হাজার ২২৭ জন।
দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষারতদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় আছেন ৩ হাজার ৯৫০ জন, চকরিয়ায় ৪ হাজার ৩৮২, উখিয়ায় ২ হাজার ৫৫৪, টেকনাফে ১ হাজার ৭৩২, কুতুবদিয়ায় ১ হাজার ৫৭৫, পেকুয়ায় ২ হাজার ১১০, রামুতে ৪ হাজার ৩০৫ ও মহেশখালীতে ২ হাজার ৬১৮ জন।
সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান বলেন, নতুন টিকা দেশে এলেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রয়োগ শুরু হবে। নিবন্ধিতরাই দ্বিতীয় ডোজের টিকায় অগ্রাধিকার পাবেন