
অভিযোগে সেলিম উল্লেখ আরও করেন, ‘উক্ত প্রার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল বাংলাবাজার চুরতিয়া সিনিয়র মাদরাসা, তৃতীয় তলা, ৬ নম্বর কক্ষ। পরীক্ষার দিন ওই কক্ষে মোট ২৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে এই রোল নম্বরধারী ব্যক্তিও একজন। অথচ প্রকাশিত ফলাফলে তাকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।
এদিকে একই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাহমুদুল হাসান নামে আরেক পরীক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ‘এত দুই নম্বরি করে পরীক্ষা নিয়ে কোনো লাভ আছে কি? আমার আগের জন অনুপস্থিত ছিল-আমি তার রোল নম্বর স্পষ্টভাবে মনে রাখছি। এখন দেখি তার রেজাল্ট এসেছে, অথচ আমার ৬০-এর বেশি নম্বর হয়েও ফলাফলে নাম নেই। কী আজব দেশ আমরা বাস করি!’
এ ধরনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, ফলাফল পুনরায় যাচাই এবং অনুপস্থিত থেকেও উত্তীর্ণদের ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
গিয়াস উদ্দিন নামে আরেকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘নজিরবিহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুস বাণিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। পরীক্ষার পর রাতেই হুট করে ফলাফল ঘোষণা করে অদক্ষতার পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন একজন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ লোক এবং তার অফিসের সবাই দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করার ফলে অনায়াসে নানা অনিয়ম করে যাচ্ছে।’
এ বিষয়ে কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদুল হকের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, এ পরীক্ষার ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।