সুজাউদ্দিন রুবেল
elis
এক মাস বঙ্গোপসাগরে মাছের আকাল যাওয়ার পর হঠাৎ সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। তবে পহেলা বৈশাখের আগে ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি হলেও আকারে ছোট এবং দাম না পাওয়ায় হতাশ জেলেরা।
আর মৎস্য ব্যবসায়ীদের দাবি, সারা দেশে ইলিশ সরবরাহ করেও দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
জানা যায়, গত এক মাস বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পায়নি জেলেরা। তাই অনেক ট্রলার নোঙর করা ছিল কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর মোহনায়। কিন্তু হঠাৎ করে আবারও সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ইলিশ, যা নিয়ে উপকূলে ফিরছেন জেলেরা।
ট্রলার বা ছোট নৌকা ইলিশ নিয়ে ভিড়ছে ঘাটে। গুনে গুনে ভরা হচ্ছে ঝুড়িতে। তবে দাম না পাওয়ায় হতাশ জেলেরা।
জেলেরা জানান, পহেলা বৈশাখের কথা চিন্তা করে ফিশারি ঘাটে নিয়ে আসা হচ্ছে মাছ। তবে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, ইলিশে সয়লাব মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পন্টুনে স্তূপ করে রাখা মাছে দেওয়া হচ্ছে বরফ। আবার অনেক স্থানে চলছে ইলিশ প্যাকেটজাত করার কাজ, যা সরবরাহ করা হবে সারা দেশে। কিন্তু ইলিশ আকারে ছোট হওয়ায় মূল্য না পেয়ে লোকসান গুনছেন বলে জানালেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা।
তবে কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মো. এহছানুল হক জানালেন, মাছের আকাল কাটিয়ে ফের অবতরণ কেন্দ্রে ফিরেছে ইলিশসহ নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ।
তিনি বলেন, ইলিশ আকারে ছোট, সে কারণে তারা আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন না।
কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গত দুদিনে সরবরাহ হয়েছে প্রায় ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ।