এম. সালাহ উদ্দিন আকাশ, উখিয়া নিউজ ডটকম::

সদ্য প্রকাশিত বার কাউন্সিলের এ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষায় চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেন শফিউল করিম মিঠু।
উখিয়া উপজেলার টাইপালং গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষিত পরিবার গোলামবারী মাষ্টারের পরিবারে ১৯৯২সালের ২৫ শে জুন শফিউল করিম মিঠুর জন্ম। তার দাদা গোলামবারী মাষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর দলিল লেখক হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার পিতা আব্দুল করিম উপজেলার স্বনামধন্য দলিল লেখক, মাতা রুপচান আরা বেগম গৃহিণী।
ইতালীর রাষ্টদূত (উপ-সচিব) হিসেবে কর্মরত রফিকুল করিম তার চাচা ও কক্সবাজার সরকারি কলেজের সাবেক ও কক্সবাজার কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল করিম তার জেঠা।
মিঠু পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয়। তাদের মধ্যে সবার বড় মরিয়ম বেগম আলিম শেষ করে স্বামীর সংসারে সুখে জীবন-যাপন করছেন, দ্বিতীয় রেজাউল করিম দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা (রেমিট্যান্স) অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রেখেছেন বর্তমানে বিয়ে করে তিনি এলএমএফ ডিগ্রী নিয়ে পল্লীসিকিৎসক হিসেবে উখিয়ায় কর্মরত, চতুর্থ মাহমুদুল করিম তারেক কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে উখিয়ায় কর্মরত আছেন এবং সকলের ছোট মরজিনা আক্তার সীমা এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবে।
শফিউল করিম মিঠু ছোট বেলা থেকে বিচক্ষণ ও মেধাবী ছিলেন তিনি ২০০১সালে দরগাহবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি নিয়ে উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন, ২০০৭ সালে উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে কক্সবাজার সরকারী কলেজ থেকে এইসএসসি, ২০১৫ সালে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও ২০১৭ সালে কৃতিত্বের সাথে এলএলএম ডিগ্রী অর্জন করেন।
শফিউল করিম মিঠু বলেন, "দীর্ঘ প্রতিক্ষার গৌরবময় এ স্বীকৃতি অর্জন করতে আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ অর্জন মা-বাবা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ভাই-বোনসহ অনেকের সহযোগীতায় এসেছে। আমি দেশ ও জাতির কল্যাণে ন্যায় বিচার প্রতিষ্টায় কাজ করে যেতে চাই। আর এ জন্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।"