এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক GPA-5 অর্জন করে সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে STCPC। এবারের ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি রামু উপজেলার অন্যতম সেরা ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি কক্সবাজার জেলারও উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে।
এবার STCPC থেকে এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৮৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ২৮ জন শিক্ষার্থী GPA-5 অর্জন করেছে। এর মধ্যে ৯ জন পেয়েছে Golden GPA-5। রামু উপজেলার একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বোচ্চ ২৮টি GPA-5 অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এবার সাফল্যের শীর্ষস্থান দখল করেছে।
চমৎকার এই ফলাফলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার সম্মিলিত ফলেই এই সাফল্য এসেছে।
এদিকে, প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থী প্রীতমের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সহপাঠীরা। প্রীতমকে সান্ত্বনা ও সাহস দিতে তার বাসায় যান প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মেজর মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভূঁঞা, এসপিপি, এইসি, শ্রেণি শিক্ষক, অন্যান্য শিক্ষক ও সহপাঠীরা।
এ সময় তারা প্রীতমের সঙ্গে কথা বলেন এবং হতাশ না হয়ে ভবিষ্যতের জন্য নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তার মনোবল বাড়াতে অধ্যক্ষ মেজর মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভূঁঞা বলেন, “ফলাফল নয়, চেষ্টা ও এগিয়ে যাওয়াই জীবনের আসল সাফল্য।”
শিক্ষকদের এই উদ্যোগে প্রীতম ও তার পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্টরা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু ভালো ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে তাকে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সাহস দেওয়াও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
STCPC-এর এবারের ফলাফলকে প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা আশা করছেন, এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং রামু ও কক্সবাজারের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।