নুর মুহাম্মদ সিকদার ::

সমাজ ভাবনা:
সভ্যতা বিলীন,নামাজ পড়তে বলায় ইমামকে লাথি মারল বখাটে।
সালিশে বৈঠকে পিতা পুত্রের ক্ষমা প্রার্থনা।বস্:
ন্যক্কার জনক ঘটনাটি ঘটেছে উখিয়া রাজাপালং ইউপির ষ্টেশন লাগোয়া ৫নং ওয়ার্ডের সিকদার বিল গ্রামের মৌলভী পাড়া জামে মসজিদের ইমামের উপর।
বেশ কিছুদিন ধরে দেখা যায় এই ওয়ার্ডের কোন কোন পাড়ায় বখাটের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার পরিবেশ মাঝে মধ্যে বিষিয়ে উঠে।
MORE COOL STUFF
Mgid
Mgid
100 কেজি ওজন? তার ওজন হবে 56! একটি রেসিপি লিখুন!
Green Coffee
আপনার চেহারা থেকে কিভাবে 10 বছর কমিয়ে ফেলবেন তার গোপন সূত্র
Wellness
অতীতে ফিরে গেলে দেখা যায় প্রাকৃতিক পরিবেশ বেষ্টিত ষ্টেশন সংলগ্ন এ এলাকার অধিকাংশ জনগনের একসময় দৈণ্যেদশা ছিল।বলতে গেলে নিম্ন আয়ের দিনমজুরের এলাকা খ্যাত মানুষগুলো দিনে এনে দিনে খেত।সন্ধ্যার পরপরই ঘুমিয়ে পড়ত।
সাজ সকালে বেরিয়ে পড়ত বনে জঙ্গলে মাঠে ময়দানে ষ্টেশনে দিনমজুরের কাজ করতে।ওরা হালাল আয় করত,নামাজ পড়ত রোজা রাখত।ছোট বড় পার্থক্যে ছিল। বড় লোক গরীব লোক মিলে একদা শান্তির ঠিকানা ছিল অত্রালেখা।
শান্তি প্রিয় চির দু:খী মানুষগুলোর বরকতে,উছিলায় এখানে গড়ে উঠেছে পাড়ায় মহল্লায় মসজিদ মাদ্রাসা স্কুল প্রাণী সম্পদ হাসপাতাল এমনকি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ সহ সভ্যতা নির্মানের অনেক কিছু।
কিন্তুু দূর্ভাগ্যে এলাকাটির।অগ্রগতির সাথে পাল্লা দিয়ে এখানে বেড়েছে অবৈধ প্রভাব,অনিয়মের ছোয়াঁ থেকে সংক্রমিত হওয়া ইয়াবা সিন্ডিকেটের সদস্যেদের আস্তানা আছে এখানেই।
এখানে বেড়েছে মাস্তানী সন্ত্রাসী কদিন পরে দেখবেন চাদাবাজিঁ।এখানে গ্রাম্যে সালিশে ব্যবহৃত হয় কিরিচ রামদা আর ধারালো ছুরি।
প্রশাসনের নিরবতায় নিয়ে আসবে বন্দুক।তারপর সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে হতে পারে খুনখারাবি অরাজকতা আর রাহজানি।
কারন এখানে প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি বেশী,অপ্রত্যাশিত অর্থের ছড়াছড়ি বিশাল এক যুব সম্প্রদায়ের হাতে।
দেখা দেখিতে সন্ত্রাস মাস্তানির দিকে ধাবিত হচ্ছে সম্ভাবনাময় বৃহত্তর ৫ নং ওয়ার্ডের সিকদার বিল।
যাক:
অতপর যে কথা বলতে চেয়েছিলাম ২৯ মে জুহুরের নামাজ চলাকালীন মসজিদের অনতি দুরে দোকানে বখাটের উৎপাত হয় প্রায়শ:রমজানেও তারাবীর নামাজকালীন উৎপাত ছিল।নিষেধ করেছে নামাজের আহ্বান ও করেছে ঈমাম সাহেব।
অপ্রত্যশিত অনেক কিছু যুবকরা বেড়ে উঠছে দৈত্যে স্বভাবে।তাই নামাজের সময় আড্ডা পরিহার করতে বলায় এলাকার আহমদের সন্ত্রাসী ছেলে লাথি মেরে ঈমাম সাহেবকে মাটিতে ফেলে দেয়।
যা এশার নামাজের পর এলাকাবাসীর সহ ঈমাম ও আলেম সমাজের কাছে পিতাপুত্র ক্ষমাচেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আনোয়ার খান।
লক্ষণীয় ব্যপার হল ঘটনার সমাধানে আনোয়ার খাঁন এক জনপ্রতিনিধিকে বারবার ফোণ করার পর ও ফোণ ধরেননি বলে আক্ষেপ করে ক্ষদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
যাই হোক নৈতিকতার অবক্ষয়ে আলেম সমাজের নিরাপত্তা ও ঝুকিঁতে বিষয়ে আমলে নেওয়ার সময় এসেছে মনে হল।