[caption id="attachment_81148" align="alignleft" width="1279"]
ফাইল ছবি[/caption]
উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করতে গ্রামের লোকজনকে দিয়ে কাজ করিয়ে প্রতারণা করেছে এনজিও কারিতাস। স্থানীয় বাসিন্দারা ও জনপ্রতিনিধিগণ অভিযোগ করেন, এনজিও সংস্থা পালংখালী ইউনিয়ে ২টি মাটি কাটার প্রকল্প হাতে নেয়। ওই দু’টি প্রকল্পে বরাদ্দ নেয়া হয়েছে ১ কোটি ৯৬ হাজার টাকা। শ্রমিক হিসেবে ১২৬২জনকে জনপ্রতি ৮ হাজার টাকা দেয়ার নিয়ম থাকলেও তাদের মজুরিও পরিশোধ করা হয়নি। কারিতাসের কতিপয় কর্মকর্তা সম্পূর্ণ টাকা লুটে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পালংখালী ইউনিয়েনের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, আমার ইউনিয়ের ২ ও ৪ নং ওয়ার্ডের মাটি কাটার কথা বলে এনজিও সংস্থা কারিতাস ১২৬২ জন শ্রমিক নিয়োগ করেছিল। কিন্তু ঐ সংস্থাটি যে কাজ করেছে, তার এখন চিহ্নও খোঁজে পাওয়া যাবে না। মূলত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কথা না বলতে স্থানীয়দের মূখ বন্ধ করার লক্ষ্যে তারা গ্রামের উন্নয়ন নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এ ব্যাপারে আমি তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এদিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের রাস্তা উন্নয়ন কাজে এনজিও সংস্থা কারিতাস শতশত লোকজন দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কথা বলে লুটপাট চালিয়েছে। শ্রমিকরা চৌকিদার দফাদার হয়েও তাদের নাম এনজিওর খাতায় রয়েছে। কাজে নেয়ার কথা ছিল গরিব লোকজনকে। ইউপি সদস্য আব্দু রহিম জানান, কারিতাস এনজিও তার এলাকায় কাজ করলেও গ্রামের লোকজন খুশি নয়। ইউপি সদস্য ইকবার বাহার জানান, তার ওয়ার্ডের শত শত শ্রমিক দিয়ে এনজিও সংস্থা কারিতাস জনপ্রতি ৪শত টাকা মজুরি দিয়ে ডিসেম্বর মাসে কাজ করেছে। ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, তার ওয়ার্ডের নিকটবর্তী হলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্প কারিতাস এনজিও মাত্র ৩৫জন শ্রমিক দিয়ে লোক দেখানো কাজ করে নিজেরা লাভবান হয়েছে। গ্রামের কোন ধরণের উন্নয়ন হয়নি। এ ব্যাপারে কারিতাসের কর্মকর্তা শরীফ কোন ধরণের তথ্য দিতে রাজি হননি। সুত্র, জনকন্ঠ