শফিক আজাদ,উখিয়া::
উখিয়ার সীমান্তে কড়াকড়ি থাকলেও চোরাচালান থেমে নেই। এক শ্রেণীর চোরাচালান সিন্ডিকেট সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চোঁখ ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতে বানের পানির ঢলের মতো বিভিন্ন চোরাইপণ্য নিয়ে আসছে এপারে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সীমান্তের কতিপয় চোরাচালান পাচারকারী সদস্যের সাথে আতাত করে এ ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে।
সুত্রে জানা গেছে, গত ২০১৭সালের আগষ্টের পর থেকে সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করে দু’দেশ। কিন্তু মাদক ও চোরাচালানের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন ভূমিকা মিয়ানমারের। অর্থাৎ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়ার রোহিঙ্গাদের সাথে মিয়ানমার বিজিপি ও নাটালা বাহিনীর সাথে একটি সম্পর্ক রয়েছে। এর ফলে ক্যাম্পে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গারা সীমান্তের চিহ্নিত মাদক ও চোরাচালানী সিন্ডিকেটের সাথে আতাত করে মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন চোরাইপণ্য নিয়ে আসছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সীমান্তের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করলে ওই সব মাদক ব্যবসায়ী কৌশল পাল্টিয়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে নিয়ে চোরাইপণ্য। সীমান্তের রেজু আমতলী, ফাত্রাঝিরি, রেজু গর্জনবনিয়া, রেজু বরইতলি, বালুখালী, রহমতের বিল, আঞ্জুমানপাড়া দিয়ে নিষিদ্ধ পলিথিন, বার্মিজ সিগারেট, কাপড়, লুঙ্গি, ব্যাটারীসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী এদেশে আসছে। এসব বিষয়ে প্রশাসন কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেনেও না জানার ভান করে থাকে বলে সে জানায়।
এদিকে গত ৬দিন আগে উখিয়া সদরের কাঁচা বাজারে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সাড়ে ২০ হাজার পিস সিগারেট ও ২০০ কেজি কালো ও নীল রংয়ের পলিথিনসহ খুরশেদ আলম (৪০) নামে একজনকে আটক করেছে র্যাব সদস্যরা। এসব চোরাইপণ্যের মূল্য ২লাখ ৪০ হাজার টাকা।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে। এরপরে যদি কেউ প্রশাসনের চোঁখ ফাঁিক দিয়ে চোরাইপণ্য এপারে নিয়ে আসে তাহলে তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে