নিজস্ব প্রতিবেদক::
স্বাধীনতার আগে বালুখালী স্টেশনে প্রতিষ্ঠিত চিঠি বিলি করার একমাত্র প্রতিষ্ঠান বালুখালী ডাকঘরটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। যদিওবা স্থাণীয় একটি
বাড়িতে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে তাতে মানুষ ডাকঘরের নীতিমালা অনুযায়ী সেবা থেকে এলাকাবাসী বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পালংখালী ইউনিভার্সেল কলেজ প্রতিষ্ঠাতা নুরুল আমিন সিদ্দিকি অভিযোগ করে জানান, বালুখালী ষ্টেশনে নির্ধারিত ডাকঘরের জন্য একটি জায়গা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিল। ঐ জায়গার উপর স্বাধীনতার আগে থেকেই ডাকঘরের কার্যক্রম
চলে আসছিল। সরকারি বরাদ্ধ না থাকায় ক্রমান্বয়ে ডাকঘরটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়লে ডাকঘর চিঠি বিলি কারক রিয়াজুল হক নিজ বাড়ি থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যেতেন।
SUGGESTED NEWSMgid
দ্রুত ওজন হ্রাস করতে চান, ছবি ক্লিক করুন!
রিয়াজুল হক মারা যাওয়ার পর তার মেয়ে রিদুয়ানাকে চিঠি বিলি কারক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পোস্ট মাষ্টার হিসাবে স্থানীয় হামিদুল হক বর্তমানে তার বাড়িতে ডাকঘরের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছে। জানতে চাওয়া হলে এলাকায় ভুক্তভোগী জনসাধারন তাদের কাছে প্রেরিত চিঠিপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রি পাচ্ছে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল হক বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর ডাকঘরের কার্যক্রম ঠিকভাবে চলছে। তবে একাধিক লোকজন জানান, তাদের কাছে পাঠানো চিঠিপত্র ২/৩ মাস পরেও পাওয়া গেছে। এমনকি চিঠিপত্র ও জিনিসপত্র গায়েব হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে বান্দবনস্থ ডেপুটি পোস্ট মাষ্টার জেনারেল সাহেদুজ্জামান সাহেদের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, ডাকঘরের পূর্বের জায়গায় বেদখল হওয়ার ব্যাপারটি তিনি জানেন না।
তবে ডাকঘরের জন্য নতুনভাবে পোস্ট মাষ্টার নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।