বিশেষ প্রতিনিধি::
উখিয়ার কুতুপালং রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার ও জঙ্গি সংগঠন আল ইয়াকিন তাদের প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে নির্বাচনে নিজেদের পক্ষের লোকজনকে কমিটির নেতা বানাতে তৎপর। এ নিয়ে ক্যাম্প অভ্যন্তরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে।
জানা যায়,আগামী ২৬,২৭ ও ২৮ নবেম্বর ৩ দিনব্যাপী রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৭ টি ব্লকে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পে সীমাবদ্ধ এ নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষের আশংকা করছেন সাধারন রোহিঙ্গারা।
মঙ্গলবার রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রুদ্বদার বৈঠকে ক্যাম্পেরর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা
ক্যাম্প সুত্রে জানা গেছে,রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৭টি ব্লকের প্রতিটি ব্লকে ১০ জন নারী ১০ জন পুরুষ সহ মোট ১৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব প্রার্থীদের মধ্যে জঙ্গি সংগঠন আল ইয়াকিন গ্রুপের অনেক চিস্থিত প্রার্থী রয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অতীতে তাদের কথাতেই বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। তারা যে কোন ভাবেই নির্বাচনে নেতা হতে তৎপর।

এরি অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার রাতে ক্যাম্পের একটি হল রুমে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিরোধী একটি গ্রুপ। বিশেষ করে আমির শাহাতাদ হোসেন,মোঃ আলম মাজি, আবদুর রহিম চেয়ারম্যান, লালু চেয়ারম্যান মোঃ নূর, জালাল আহমেদ,আবু সালাহ এ গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা প্রতিদিন রাতেই বৈঠকে করে কিভাবে তাদের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনা যায় সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তারা বৈঠক করে সাধারন রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান,ছৈয়দ হোছেনের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচনী সিন্ডিকেট যদি নির্বাচনে জয়ী হলে তারা প্রত্যাবাসন বিরোধী তৎপরতাসহ ক্যাম্পে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ও শালিস বিচার নিয়ন্ত্রণ করবে। এ নিয়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নিজেদের পক্ষে লোকজন ভারী করছে। এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইএনএইচসিআরের সহযোগিতায় এনজিও সংস্থা ব্রাক এ নির্বাচনটি পরিচালনা করছে।