
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে সরকারি জমি দখল করে একের পর এক নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। দোকান বরাদ্দের নামে লাখ লাখ টাকা আদায়, সড়ক দখল ও অসহনীয় যানজটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। অথচ পাশের পালংখালীতে উচ্ছেদ অভিযান চললেও কুতুপালংয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এ নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বনবিভাগের জমি ও সরকারি খাসজমিতে দোকান নির্মাণ করে বরাদ্দের নামে দোকানপ্রতি ৩ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।
এদিকে, সিন্ডিকেটের এক সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের মাসিক মাসোহারা দেওয়ার দাবি করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দাবি করেছেন, কক্সবাজার জেলার সব সাংবাদিক তাঁর জিম্মায়, তাঁদের মাসিক মাসোহারা দেন। কুতুপালং কিংবা তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কেউ সংবাদ প্রকাশ করবেন না। প্রশাসনও তাঁর বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবে না বলে দম্ভোক্তি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, পালংখালীতে উচ্ছেদ অভিযান হলেও কুতুপালংয়ে কেন নীরব প্রশাসন? সরকারি জমি দখল, দোকান বরাদ্দের নামে অর্থ আদায় এবং সাংবাদিকদের প্রভাবিত করার কথিত চেষ্টার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।