কক্সবাজার-২ (মহেশখালী ও কুতুবদিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
নির্বাচন কমিশনে জমাকৃত হলফনামায় তিনি নিজের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ১৮ ভরি স্বর্ণের মূল্য (অধিগ্রহণকালে) দেখিয়েছেন ৫৩ হাজার ৭ শত ৮৮ টাকা অর্থাৎ প্রায় ৫৪ হাজার টাকা।
অস্থাবর সম্পদের তালিকায় তাঁর উল্লেখিত নগদ অর্থের পরিমাণ ৫৪ লাখ ৮০ হাজার ৬ শত ২৫ টাকা, ১টি পিস্তল ও ১ টি শর্টগানের মূল্য ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ১ থেকে ১২ নং ক্রমিকে বর্ণিত অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ৪ শত ১৩ টাকা এবং বর্তমান আনুমানিক মূল্য বলা হয়েছে ৫৮ লাখ ২৭ হাজার ৮ শত টাকা অর্থাৎ অর্জনকালীন মূল্যের সাথে পার্থক্য মাত্র ১ লাখ ১৪ হাজার ৩ শত ৮৭ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত দেশের বাজারে স্বর্ণের বর্তমান মূল্য তালিকা বলছে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১ শত ৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪ শত ১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ৮ শত ৫৭ টাকা।
এই দর অনুযায়ী, আলমগীর ফরিদের স্বর্ণগুলো যদি সনাতন পদ্ধতিরও হয় তাহলে বর্তমান মূল্য হবে ২৭ লাখ ৫১ হাজার ৪ শত ২৬ টাকা হবে ফলে হলফনামায় বর্ণিত মূল্যের সাথে রয়েছে বড় ধরণের তারতম্য।
১.২ একর কৃষি জমি, ১.৩ একর অকৃষি জমি, ১৬২৪ বর্গফুটের নির্মাণাধীন বাড়ি, ৭৪২ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ও ৭১৬৮ বর্গফুটের ৬ টি ফ্ল্যাট স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে জানিয়ে আলমগীর ফরিদ এসব সম্পত্তির বর্তমান মূল্য লিখেছেন ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার ২ শত ১ টাকা।
কৃষিখাত থেকে তিনি বার্ষিক আয় করেন ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ।এছাড়াও বাড়ি ভাড়া বাবদ ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৯ টাকা ও ব্যবসা বাবদ ৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা বছরে তিনি আয় করে থাকেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে আলমগীর ফরিদ উল্লেখ করেছেন বিএ,এমএ ও এল.এল.বি এবং হলফনামায় তাঁর দায় বা ঋণের তথ্য নেই।
১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তিনি এই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।