মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে একটি মামলায় নিন্ম আদালত ৩ বছরের সাজা ও ১০ লাখ জরিমানার আদেশ দিয়ে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি হাইকোর্টে আপীল করলে হাইকোর্টের বিচারপতি এমডি রুহুল কুদ্দুস ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর আপীল গ্রহন করেন এবং আবদুর রহমান বদিকে অন্তবর্তীকালীন জামিন প্রদান করেন। একইদিন উচ্চ আদালত নিন্ম আদালতের প্রদত্ত রায়ের ১০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করলেও ৩ বছরের কারাদণ্ড স্থগিত করা হয়নি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে রিটার্নিং অফিসারদের প্রদত্ত নির্দেশনা মতে, নিন্ম আদালতে কোন ব্যক্তি দুই বছরের বেশী কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং পরবর্তী উচ্চ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করা হলে আপীল আদালত শুধুমাত্র আপীল গ্রহন করে দন্ডাদেশ স্থগিত না করলে উক্ত ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বাতিল হবে। সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি’র ক্ষেত্রে হাইকোর্ট আপীল গ্রহন করলেও তাঁর বিরুদ্ধে নিম্ম আালতের প্রদত্ত ৩ বছরের সাজা হাইকোর্ট স্থগিত নাকরায় তাঁর মনোনয়নপত্র কি রিটার্নিং অফিসার গ্রহন করার সুযোগ আছে? এই প্রশ্নে আবদুর রহমান বদি ছাড়া উখিয়া-টেকনাফে মহাজোটের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বেশ তৎপর রয়েছে। অপরদিকে, আবদুর রহমান বদি আইনের ফাঁক ফোকর খুজঁছে ও আইন বিশেষজ্ঞদের শরনাপন্ন হচ্ছেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে উখিয়া-টেকনাফ এর ভোটারদেরও কৌতুহলের অন্ত নেই।
সুত্র: সিবিএন