ডেস্ক রিপোর্ট::
যশোরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে শিশু আফরিন তৃষা ধর্ষণ-হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাদক ব্যবসায়ী শামীম নিহত হয়েছেন।
বুধবার ভোরে যশোর শহরতলীর খোলাডাঙ্গার সোহরাবের রাইস মিলের পাশ থেকে পুলিশ শামীমের মরদেহ উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, ওই রাইস মিলের কাছে মাদক ব্যবসায়ীদের বন্দুকযুদ্ধ চলছে এমন খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ওই যুবকের নাম শামীম। সে শিশু তৃষা ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ৫০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে ওই এলাকা থেকে সোমবার সন্ধ্যায় তৃষা নামে এক স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়। একদিন আগে ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। তৃষা শহরের খোলাডাঙ্গা এলাকার তরিকুল ইসলামের মেয়ে ও কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
নিহত তৃষার মা জোসনা বলেন, রোববার বিকেলে আরবি পড়ে বাসায় ফেরে তৃষা। এরপর খেলতে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। গত চব্বিশ ঘণ্টায় তার মাইকিংসহ সবখানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি। সন্ধ্যায় এলাকার ডোবায় তার বস্তাবন্দী মরদেহ পাওয়া যায়।
পুলিশের ধারণা- ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শামীমকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মঙ্গলবার যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আফরিন তৃষার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।
আফরিন তৃষা হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে তৃষার সহপাঠীসহ সর্বস্থরের জনগণ

পাঠকের মতামত