প্রকাশিত: ২৩/১০/২০১৬ ৭:৩৯ এএম

এম.বশিরুল আলম,লামাঃ
বান্দরবানের লামায় রাতের আঁধারে কতিপয় ভুমি দস্যু’র ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী কর্তৃক প্রেসক্লাবের ভুমি দখলের অপচেষ্টা ভেস্তে গেল স্থানীয় জনতার প্রতিবাদের মূখে। একটি চিহ্নিত ভুমি দস্যু চক্র ২১ অক্টোবর গভীর রাতে পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রেসক্লাবের অনুকুলে নির্মানাধীন ভবনের একাংশে বিদ্যমান ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে দখলের ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। গভীর রাতে এ  খবর পেয়ে লামা পৌর শহরের ব্যবসায়ি ও স্থানীয়রা তাড়া করলে দখলদার সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ চক্রটি এর আগেও নির্মানাধীন ক্লাব ভবনটি দখল করার চেষ্টা করলে লামা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারী করে স্থিতি অবস্থা বঝায় রাখার নির্দেশ দেন।

জানাগেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মৈত্রি কার্যক্রমের আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ২৬ বছর আগে ১৯৯০ সালে এলাকার সাংবাদিকদের মেলবন্ধন হিসেব লামা প্রেসক্লাবটি নির্মিত হয়। ক্লাবের তিনটি বাজার ফান্ড প্লটের জমিদাতা মো: ইউছুপ আলী, পিতা- আলহাজ্ব মো: আলী মিয়া (লামা উপজেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান) ও স্থানীয় আ: লতিফ মেম্বারে ছেলে নজরুল ইসলাম। নামেমাত্র মূল্যে লামা প্রেসক্লাবকে দানপত্র করায়, ২টি প্লটে প্রেসক্লাবের ২তলা ভবন  নির্মিত হয়।

অপর দিকে ২০০৫-৬ অর্থ সালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে ক্লাবের সেফটি ট্যাঙ্কির উপর থাকা খালী অপর প্লটটির উন্নয়ন কাজ শুর করেন। ২০০৭ সালে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার বাসিন্দা (লামা উপজেলার সাবেক কানুনগো) আ: লতিফের ছেলে নজরুল ইসলাম প্লটের মালিকানা দাবী করে আপত্তি দিলে, প্রেসক্লাবের উন্নয়ন কাজ স্থগিত হয়ে যায়।

সম্প্রতি এ গ্রুপটি জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মানাধীন প্রেসক্লাবের ভবনটি দখল করার চেষ্টা করলে, লামা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারী করে স্থিতি অবস্থা বঝায় রাখার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জবর দখলকারী নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার বাসিন্দা আ: লতিফের ছেলে নজরুল ইসলাম শুক্রুবার রাতে নির্মানাধীন ভবনটি চিহ্নিত সন্ত্রাসীদ্বারা দখল করার প্রস্তুতী নেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাড়া করলে ভাড়াটিয়া দখলদার সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। বিষয়টির প্রতি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা দাবী করেন।

পাঠকের মতামত