প্রকাশিত: ০৩/০২/২০১৮ ১:৩০ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৭:০৯ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট::
জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কয়লা রফতানি করে গত বছর প্রায় ২০ কোটি ডলার আয় করেছে উত্তর কোরিয়া। এ ছাড়া মিয়ানমার ও সিরিয়ায় যুদ্ধাস্ত্র রফতানি করছে পিয়ংইয়ং।

জাতিসংঘের একটি স্বাধীন পর্যবেক্ষক দল তাদের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উল্লেখ করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার হাতে আসা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কয়লা রফতানির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের বন্দরে পৌঁছেছে দেশটির কয়লা।

প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ ঠেকাতে ২০০৬ সালে দেশটির কয়লা, রড, সীসা, টেক্সটাইল ও সীফুড রফতানি এবং অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

পর্যবেক্ষক দলের জমা দেওয়া ২১৩ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল সরবরাহ চেইন, বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ, অফশোর কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সিস্টেম লঙ্ঘনের মাধ্যমে বেশ কিছু প্রস্তাব উপেক্ষা করেছে পিয়ংইয়ং।

তবে জাতিসংঘে উত্তর কোরীয় মিশন তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে, রাশিয়া ও চীন বরাবরই বলে আসছে, তারা উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ংয়ের ওপর যে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও রাসায়নিক অস্ত্র রফতানির মাধ্যমে তাও লঙ্ঘন করেছে দেশটি।

পর্যবেক্ষকরা বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে মিয়ানমার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছে। এ ছাড়া মিয়ানমারে মাল্টিপল রকেট লঞ্চার এবং ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মতো প্রচলিত অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করেছে পিয়ংইয়ং।

তবে জাতিসংঘে মিয়ানমারের দূত হো দো সুয়ান বলেছেন, আর যাই হোক, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার দেশের অস্ত্র ক্রয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পিয়ংইয়ংয়ের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা মেনে চলছে মিয়ানমার সরকার।

অন্যদিকে, সিরিয়া উত্তর কোরিয়া থেকে রাসায়নিক অস্ত্র কিনছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি দেশ (নাম উল্লেখ করা হয়নি) সিরিয়াগামী একটি শিপমেন্ট জব্দ করেছে। যাতে এসিড প্রতিরোধী টাইলস ছিল। এসব টাইলস সিরিয়ার রাসায়নিক কারাখানায় ব্যবহার করা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে দেখতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে মনোনয়ন দিতে চান ...

যেকোনো সময় ইসরাইলে হামলা, মিত্রদের প্রস্তুত থাকতে বলল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই হিজবুল্লাহসহ নিজেদের অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্রদের বৃহত্তর সংঘাতের জন্য প্রস্তুত হতে ...

তেহরানের বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে কফিনে দেখিয়ে হত্যার হুমকি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বড় বিলবোর্ড স্থাপন ...
Single Page Footer