প্রকাশিত: ২০/১১/২০১৬ ৮:৩৩ পিএম

আতিকুর রহমান মানিক:;

ঘেরে উৎপাদিত রকমারী প্রজাতির মাছে সয়লাব হয়ে গেছে কক্সবাজার জেলার হাট-বাজার। কিন্তু সংরক্ষনের ব্যবস্হা না থাকায় প্রতিদিন বিপুল পরিমান মাছ নষ্ট হচ্ছে। বাগদা চিংড়ি চাষের ঘেরে সাথী ফসল হিসাবে উৎপাদিত লবনাক্ত পানির রকমারী প্রজাতির এখন মাছ হাটবাজারে উঠছে। তুলনামুলক কমদামে পাওয়া এসব মাছ বেশী পরিমানে কিনে ক্রেতারা এখন ফ্রিজে সংরক্ষন করে রাখছেন। চিংড়ি ঘের মালিকরা জানান, বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি, বাঠা, টেংরা (গুইল্লা), কোরাল, দাতিনা, ও ধুম মাছসহ অন্যান্য প্রজাতির তাজামাছ ঘের থেকে আহরনের দুই/এক ঘন্টার মধ্যেই বাজারে তোলা হচ্ছে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী-কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রতি বছর চিংড়ি উৎপাদন মৌসুমে বাগদা চিংড়ির পাশাপাশি এসব মাছ উৎপাদিত হয়। বিগত ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিনব্যাপী মা-ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের সময় যখন সাগরে মাছ আহরন বন্ধ ছিল, তখন ভোক্তাদের আমিষের চাহিদা মিটিয়েছে এসব মাছ।  বিগত মাসাধিককাল ধরে জেলার চিংড়ি ঘের সমূহ থেকে আহরণকৃত বিভিন্ন প্রজাতির সুস্বাদু মাছ বাজারে বিক্রির জন্য তুলছেন ব্যবসায়ীরা। দ্বীপ উপজেলা মহেষখালী, কুতুবদিয়াসহ উপকূলীয় পেকুয়া, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার বিস্তির্ণ এলাকার চিংড়ি ঘেরে চিংড়ির পাশাপাশি এখন ধরা পড়ছে তাইল্যা, বাটা, দাতিনা, গুইল্যা, ঘঘ, ভেটকি (কোরাল), কেচকি ও লইল্যাসহ বিভিন্ন প্রজাতির লবনাক্ত পানির সু-স্বাদু মাছ। ফরমালিন, কেমিক্যাল ও বরফমুক্ত তাজা এসব মাছ ভোক্তাদের চাহিদা মিঠিয়ে পাঠানো হচ্ছে জেলার বাইরের বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে। চকরিয়া, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, মহেশখালী,  সদরের অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র ঈদগাঁও বাজার ও জেলাশহরের বিভিন্ন  কাঁচাবাজারস্থ মাছ বাজারে এখন চিংড়ি প্রজেক্ট থেকে আহরিত রকমারী প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছের সমারোহ। বাজারে উঠা মাছের মধ্যে তাইল্যা মাছ প্রতি কেজি ২০০, বাটা ২৫০, গুইল্যা ২৫০, দাতিনা  ২০০, বিভিন্ন সাইজের কোরাল মাছ ২০০-৪০০, ঘঘ মাছ ১০০-১২০, কেচকি ৮০-১০০, লইল্যা চিংড়ি ২৫০-৩৫০, চাগা চিংড়ি (ভানামী) ৪০০-৫০০ ও বাগদা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাতের কাছে টাটকা এসব মাছ সুলভে পেয়ে ক্রেতারা আগ্রহ ভরে কিনে নিচ্ছেন। অনেকে আবার শুঁটকি করেও রাখছেন।  কক্সবাজার মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে প্রকাশ, চলতি বছর জেলার সমুদ্র উপকূলীয় ৬৫ হাজার একর জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষ হয়েছে।

পাঠকের মতামত

অপেক্ষার অবসান, ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের পথে প্রথম জাহাজ

দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল ...

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, বাড়েনি সরবরাহ

পর্যটনের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ...

টেকনাফে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মনখালী ও শামলাপুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে ...

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ...