প্রকাশিত: ০৭/০২/২০১৮ ৪:০৮ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৬:৫৬ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট::
শিরোনাম দেখে চমকে ওঠার কারণ নেই। যারা মনে করেন ডাক্তার দেখালেই হাজার টাকার মামলা, তাঁদের এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দেবে প্রফেসর ডা. মো. মতিয়ার রহমান চেম্বারের একটি টেবিল বোর্ড।

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. মতিয়ার রহমান। রাজধানীর ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, দি বারাকাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং কোরআন রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তিনি ল্যাপারোসকপিক যন্ত্রের দ্বারা পিত্তথলি পাথর অপারেশনের অভিজ্ঞ সার্জন।

ডা. মো. মতিয়ার রহমান চেম্বারে ঢুকলে দেখা যাবে ডেস্কে নীল বোর্ডের ওপর সাদা হরফে লেখা ‘ভিজিট ৪০০ টাকা, কষ্ট হলে না দিলেও চলবে। ’

গতকাল রাত থেকে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আর ছবির সাথে জুড়ে দিয়েছেন তাঁর নতুন এই অভিজ্ঞতার কথা।

মিজানুর লিখেছেন, ‘মায়ের পিত্তথলিতে পাথর। কিডনি ডাক্তার মতিয়ার রহমানকে দেখানোর জন্য প্রায় দেড়মাস আগে সিরিয়াল দিয়ে আজ দেখাতে আসলাম।

তবে ডাক্তার চেম্বারে ঢুকেই লেখাটি দেখে ভাল লাগলো। বাকিটা আল্লাহ্‌ ভরসা। ‘
এরপরই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মন্তব্য করেন, ‘এমন ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকলে রোগি অর্ধেক এম্নিতেই সুস্থ হয়ে যাবে। ‘

জানা গেছে, ডা. মতিয়ার রহমান খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার আরজি-ডুমুরিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালে যথাক্রমে ডুমুরিয়া হাই স্কুল ও খুলনাস্থ দৌলতপুর সরকারি বিএম কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৭৭ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন।

সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর ১৯৭৯ সালে ইরাক চলে যান তিনি এবং ইরাকের জেনারেল হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে চার বছর চাকরি করেন। এরপর তিনি উচ্চশিক্ষা অর্জনের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান এবং ১৯৮৬ সালে গ্লাসগো রয়েল কলেজ অব ফিজিসিয়ানস এন্ড সার্জনস থেকে সার্জারিতে এফআরসিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ইংল্যান্ডে রেসিডেন্ট পারমিট থাকলেও ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে আসেন তিনি।

১৯৮৮ সালে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট হিসেবে যোগদান করেন।

ইতোপূর্বে মিজানুরের অভিজ্ঞতার সাথে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে যুক্ত হয়েছে অনেকের অভিজ্ঞতা। সবার অভিজ্ঞতাই ইতিবাচক। অনেকেই বলছেন এমন ডাক্তারে আমাদের দেশ ভরে উঠুক, তাহলে এদেশটা সত্যিকারের সোনার দেশে পরিণত হবে।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট ...

বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন ...

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করতে হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ...

মিয়ানমারের নতুন বাস্তবতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মধ্যস্থতা করবে চীন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি ...
Single Page Footer