প্রকাশিত: ১৭/০৩/২০১৯ ১০:০৭ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট ::
নিউজিল্যান্ডের সন্ত্রাসী হামলা নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি হুসনে আরা পারভীন ও তাঁর স্বামী কোরআন শরিফ ইংরেজিতে অনুবাদ করতে পারতেন। তাঁরা দুজন মসজিদে গিয়ে ইংরেজি ভাষাভাষীদের কোরআন শরিফ তিলাওয়াত করে শোনাতেন।

নারীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল মসজিদের একটি অংশ। অপর অংশে পুরুষেরা নামাজ আদায় করতেন। ঘটনার সময় হুসনে আরা নারীদের জন্য সংরক্ষিত কক্ষে ছিলেন।

হুসনে আরার বড় বোন রওশন আরা বেগম জানান, সন্ত্রাসী হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ফরিদ উদ্দিন বর্তমানে ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে থাকলেও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। সেখানকার পুলিশ তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বলতে দিচ্ছে না।

হুসনে আরা মসজিদে গোলাগুলির খবর শুনে স্বামী ফরিদ উদ্দিনকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন। হুসনে আরার বাবার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালহাটা গ্রামে।

নিহত হুসনে আরার স্বজনেরা শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, ক্রাইস্টচার্চে স্বামীর সঙ্গে থাকেন হুসনে আরা। এক দুর্ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী ফরিদ হুইল চেয়ারে চলাচল করেন। হামলার সময় তাঁর স্বামী ও তিনি ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদের ভেতরে পৃথক স্থানে ছিলেন।

রওশন আরা বেগম বলেন, সন্ত্রাসী হামলার পরপরই তাঁদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ফোন করে হুসনে আরার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে হুসনে আরার স্বামী ফরিদ উদ্দিন বেঁচে গেছেন।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer