প্রকাশিত: ২১/০২/২০১৮ ২:৪২ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৬:২০ এএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক ::
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে (কাঁটাতারের বাইরে) অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত নেয়া হবে- এমন খবরের পর সেখান থেকে পালাতে শুরু করেছেন তারা। মঙ্গলবার রাতে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা সরে গেছে।

বিজিবি অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া বেশ কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করতে পারলেও অধিকাংশ কুতুপালং শরণার্থী শিবির ও বাংলাদেশের বিভিন্ন আত্বীয় স্বজনদের বাড়ি ও পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে।

সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড থেকে হঠাৎ করে রোহিঙ্গাদের পালানোর ঘটনায় সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদারের পাশাপাশি নিরাপত্তাও বাড়িয়েছে।

সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ড অবস্থানকারী প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের মংডু জেলার ঢেকুবনিয়া সীমান্ত পরিদর্শন করে।

সেখানে প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণকৃত আশ্রয়কেন্দ্র ও তাদের গ্রামগুলো ঘুরে দেখের।

সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সরকার খুব শিগশির ফিরিয়ে নেবে বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানানোর পর রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সীমান্তে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা নূর আলম জানান, রাতের আধারে বহু রোহিঙ্গা নো ম্যান্স ল্যান্ড ছেড়ে পালিয়ে গেছে। অনেককে বিজিবি ধরে আবার ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছে। কিন্তু এভাবে নো ম্যান্স ল্যান্ডে নিরাপত্তা হীনতায় থাকা সম্ভব নয়।

রোহিঙ্গা আবদুল আলীম জানান, তারা কুতুপালং-এ যেতে চায়, মিয়ানমারে নয়। কারণ সেখানে নিরাপত্তা নেই। আবারো তাদের ওপর জুলুম করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা খবর নিয়েছি সেখানে রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি আর নেই। যা আছে তার পাশে সেনাবাহিনী পাহারা দিচ্ছে। আমরা এখন বাংলাদেশেও আসতে পারছিনা মিয়ানমারেও যেতে পারছিনা।

রোহিঙ্গা নারী নূর বেগম বলেন, আমাদের নিরাপত্তাহীনতায় না রেখে কুতুপালং এ নিয়ে গেলেই হয়। না হলে আমরা পালাতে বাধ্য হব।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তরা বলছেন, মিয়ানমারে আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। শিগগির প্রথম দফায় জিরো লাইনের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন।

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer