ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২০/০৫/২০২৪ ৯:৩৪ এএম

২১ মে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সে হিসেবে ১৯ মে রাত ১২টায় এ নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণা শেষ। এ পর্যায় ফেয়ার নির্বাচন উপহার দিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রস্তুত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিবেচনায় উপজেলার ২৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন একাধিক প্রার্থী।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার সালাউদ্দিন আল আজাদ বলেছেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ২৬টি। ভোটার সংখ্যা ৪৫ হাজার ২৭৯ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ২২ হাজার ৭৭০ জন এবং নারী ভোটার ২২ হাজার ৫০৯ জন। বুথ সংখ্যা ১৩০টি। ২৬ কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্র রয়েছে মোট ১২টি । তার মধ্যে অতিঝুঁকিপুর্ণ ৯টি।
ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রগুলো হলো- তাংগারা বিছামারা ভোট কেন্দ্র, আশারতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, রেজু হেডম্যানপাড়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর ঘুমধুম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর ঘুমধুম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাইশারী নারিচবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, করলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুরিক্ষ্যং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, লেবুছড়ি সরকারী সরকারীপ্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও আলিক্ষ্যং মিরঝিরি পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ২ জন। বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: শফিউল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক তোফাইল আহমদ। তারা দু’জনই স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে ভাইস-চেয়ারম্যান (পুরুষ) ২ জন ও মহিরা ভাইস-চেয়ারম্যান ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তারা সকলে জনপ্রিয়। শেষ মূহুর্তে তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট ভিক্ষা করছেন। আর চষে বেড়াচ্ছেন গ্রামের পর গ্রাম।

এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারীবাহিনী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন নির্বাচনে নিয়োজিত বিশেষ কমিটির এক সদস্য। রোববার বিকেলে এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍‍্যাব এর দু’ উপ-পরিচালক, থানার ওসি, বিজিবি প্রতিনিধি ও গোয়েন্দাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম প্রমূখ।
সভার গুরুত্বপুর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তন্মধ্যে ব্যালেট বাক্স সঠিকভাবে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছানোসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও নির্বিঘ্নে নির্বাচনের সকল কার্যক্রম সুচারুরূপে করতে এবং ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্র গুলোর নিরাপক্তা প্রদান বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

পাঠকের মতামত

সেন্টমার্টিন নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের গুজবে ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঁচ মাসে ২৬ খুন

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে খুন-অপহরণের মতো অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আশ্রয়শিবিরের নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার, মাদক ...