গত ১ অক্টোবর সেভ দ্য চিলড্রেন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কভিডের কারণে এ বছর বিশ্বের পাঁচ লাখেরও বেশি কন্যাশিশু বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে পড়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ কভিডের কারণে বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে পড়বে আরো ২৫ লাখ কন্যাশিশু। এটি গত ২৫ বছরে বাল্যবিয়ের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে দক্ষিণ এশিয়ার কন্যাশিশুরা। এ বছর এ অঞ্চলের দুই লাখেরও বেশি কন্যাশিশু বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে পড়েছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন আরো জানায়, বিশ্বের ১০ লাখেরও বেশি কন্যাশিশু এ বছরই সন্তানসম্ভাবনা হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়টি ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
‘গ্লোবাল গার্লহুড ২০২০ : কভিড-১৯ এবং অগ্রগতি সংকটে’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে কভিড-১৯ ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইনগার অ্যাশিং বলেন, মহামারির অর্থ হলো আরো অনেক পরিবার দরিদ্র হবে। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও খাদ্যাভাব এবং সহিংসতা ও নিপীড়নের ঝুঁকির মধ্যে অনেক মা-বাবা তাঁদের সন্তানদের তুলনামূলক অনেক বেশি বয়সীদের সঙ্গে বিয়ে দেবেন। এ বিয়েগুলো মেয়েদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এবং বিষণ্নতাসহ নানা জটিলতার ঝুঁকি বাড়াবে।

পাঠকের মতামত