
করোনাকালে ব্যবহার বেড়েছে একবার ব্যবহার্য প্লাটিকের কাপ, প্লেট, চামচের। হোটেল-রেস্তোরাঁ, ছোট-বড় চায়ের দোকান, এমনকি ফুটপাতের দোকানেও হচ্ছে ব্যবহার। এসব পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর, বলছেন চিকিৎসক ও রসায়নবিদেরা। এ জন্য কাগজের তৈরি বিকল্প পাত্র ব্যবহারের পরামর্শ তাদের।
সিরাজ মিয়া। ছয় বছর ধরে ফ্লাক্সে করে চা বিক্রি করেন বেইলি রোডে। চা দিতেন কাচের কাপে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ শুরুর পর কাচের কাপে চা পানে ভয় ক্রেতাদের। বাধ্য হয়ে তাকে চা দিতে হচ্ছে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের কাপে।
একই অবস্থা পাড়া-মহল্লার ছোট-বড় চায়ের দোকানে। প্লাস্টিকের কাপ, প্লেটের ব্যবহার বেড়েছে বড় হোটেল-রেস্তোরাঁতেও। চাহিদা বাড়ায় এমন কাপ, প্লেট ও চামচের বিক্রি জমজমাট পুরান ঢাকার বেগম বাজার ও চকবাজারের পাইকারি দোকানে।
বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডোর গবেষণা বলছে, গত বছরের চেয়ে এসব পাত্রের ব্যবহার বেড়েছে তিন গুণ।
রসায়নবিদরা বলছেন, এসব পাত্র তৈরিতে ব্যবহার হয় থ্যালাস ও বিসফেনল-এ নামক রাসায়নিক। যা মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে বলে জানান চিকিৎসকেরা। হতে পারে ক্যান্সারও।
প্লাস্টিকের তৈরি এসব পাত্র ক্ষতিকর পরিবেশের জন্যও। এগুলোতে ড্রেন ভরাট হয়ে তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।

পাঠকের মতামত