প্রকাশিত: ০২/০৯/২০১৯ ৮:১৪ পিএম

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনী পরিচালিত অভিযানের সময়কার নির্যাতনে জড়িত সেনাদের সামরিক আদালতে বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। কতিপয় সেনাসদস্য কিছু কিছু ঘটনায় ঊর্ধ্বতন নির্দেশ পালনে দুর্বলতা দেখিয়েছেন। সম্প্রতি সামরিক আদালতের তদন্ত দল রাখাইনের একটি গ্রামে রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এমনটি দেখতে পেয়েছে বলে ওই ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লাংয়ের ওয়েবসাইটে এ কথা বলা হয়। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সামরিক আদালতের তদন্ত প্রতিবেদনের পুরোটাই গোপন রাখা হয়েছে বলে রোববার রয়টার্সকে জানান মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র তুন তুন নি। এমনকি তিনিও এ বিষয়ে জানেন না বলে জানান সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র। তবে বিচার প্রক্রিয়া শেষে একটি বিবৃতি দিয়ে তা জানানো হবে বলেন তুন তুন নি।

এর আগে ২০১৭ সালে সামরিক কর্তৃপক্ষের একটি তদন্তে বাহিনীর লোকজন রোহিঙ্গা অভিযানে কোনো অপরাধ করেনি বলে জানানো হয়। এ সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও একটি নিরীক্ষা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এদিকে এর পরিপ্রেক্ষিতে ফিলিপাইনের কূটনীতিক রোজারিও মানালো ও জাতিসংঘে জাপানের সাবেক দূত কেনজো ওসিমাকে নিয়ে একটি প্যানেল গঠন করে মিয়ানমার সরকার। এই প্যানেল এখনো কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer