প্রকাশিত: ২৪/০৬/২০২২ ৮:০৫ পিএম


কক্সবাজারের চকরিয়ায় গত ১১ ফেব্রুয়ারি চলন্ত বাসে এক রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী রোহিঙ্গা তরুণী বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা করেন।
চার মাস পর সেই শুক্রবার (২৪ জুন) ভোররাতে চকরিয়া ডুলাহাজারা ও বাটাখালী এলাকা থেকে মামলার এজাহার ও চার্জশিটভুক্ত প্রধান দুই আসামি বাসের চালক ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

আটকতৃতরা হলেন, চকরিয়া ডুলাহাজারার রিংভং এলাকার আমির উদ্দীনের পুত্র মো. মাহবুব (৩২) ও চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার রাজঘাট এলাকার জান শরীফের পুত্র শাহ এমরান (৩৫)।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক নূরুল আবছার (মিডিয়া) এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এক তরুণী চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে উখিয়ার ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সে চকরিয়া বাসস্ট্যান্ডে নেমে উখিয়ার বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলো। তাকে দেখে চালকের সহকারী ফারুক নামের একজন ওই তরুণীকে উখিয়ার পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বাসে উঠতে বলেন। পরে ওই বাসে করে তরুণীকে চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় নিয়ে চালক-সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে বাসের ভিতর দলবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তখন বাসের চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায়। কিন্তুবাসের হেলপারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে চকরিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

মামলার পর থেকেই পলাতক ছিল বাসে চালক মো. মাহবুব ও সুপারভাইজার শাহ এমরান। অবশেষে চার মাস পর ২৪ জুন ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।

গ্রেপ্তার দুই আসামিকে চকরিয়ার থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেছে জানিয়েছেন র‌্যাবের কর্মকর্তা নূরুল আবছার

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছে চিকিৎসক-নার্স

কক্সবাজারের কক্স ন্যাশনাল হসপিটালে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ...

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার সাবান

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। ...

ইনানীতে অগ্নিকান্ড : ১০ মরদেহ শনাক্ত হলেও এখনো নিখোঁজ শিক্ষিকা

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রিসোর্টে অবস্থানকারী পর্যটকদের মধ্যে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন মোট ...

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই হিমছড়িতে ইকো রিসোর্টের নামে হোটেল নির্মাণ

পর্যটকের ঢল আছে, কিন্তু নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতের ব্যবস্থা নেই– দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারের চিত্র অনেকটা ...

ইনানীতে বাৎসরিক এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

কক্সবাজারের ইনানীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত বাৎসরিক এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ...