
কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা ইনানী সৈকতে এক হোটেলকর্মীর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে ইনানীর বে-ওয়াচ হোটেল সংলগ্ন সৈকত থেকে উলঙ্গ অবস্থায় ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নিহত আবদুল আজিজ (২২) উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত রশিদ আহমেদের ছেলে। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে ইনানীর বিলাসবহুল বে-ওয়াচ হোটেলে হোটেল বয় হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কয়েকজন যুবক সৈকতে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে পানিতে ভাসমান একটি উলঙ্গ মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি নিহতের ভাই দুলালকে জানালে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
স্থানীয় যুবদল নেতা শাহাব উদ্দিন শাহ জানান, আবদুল আজিজের পরিবার আগে ইনানী এলাকায় বসবাস করলেও প্রায় ১৭ বছর আগে জুম্মাপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে। জীবিকার তাগিদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইনানীর বে-ওয়াচ হোটেলে কর্মরত ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বে-ওয়াচ হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। হোটেলসংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, আবদুল আজিজের সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত শত্রুতা বা বিরোধ ছিল বলে তাদের জানা নেই।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এটি হত্যা, দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি রহস্যেরও সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
তথ্য সূত্র: কক্সবাজার জার্নাল

পাঠকের মতামত