তৈরি হচ্ছে এটুআই আইন – কক্সবাজারে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

উদ্ভাবনী এজেন্সির স্বীকৃতি দিয়ে ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এটুআই আইন তৈরি করতে কাজ করছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। বিগত সময়ে এটুআই প্রকল্পের সফলতার ধারাবাহিকতায় এমন উদ্যোগ নিয়েছে আইসিটি বিভাগ। দেশের ই-কমার্স খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে তিন মাসের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটিকে জরুরী ভিত্তিতে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিটি, সেন্টার কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়ার সিস্টেম, সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্রাকিং সিস্টেম ও ইন্টার অপারেবল ডিজটাল কমিউনেকশন প্লাটফর্ম প্রস্তুত করতে তাগাদা দিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একইভাবে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে ২০২৩-২৫ সালকে টার্গেট করে একটি ‘আর্জেন্ট অ্যাকশন প্লান’ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এটুআই প্রোগ্রামের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান পলক।

বক্তব্যের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রাযুক্তিক সমাধানে এগিয়ে থাকা এই প্রতিষ্ঠানটির ভূয়সী প্রশংসা করে এটুআই-কে ‘প্রবলেম সলভার’ নামে অভিহিত করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় এটুআই নীতি উপদেষ্টাকে নিজের ‘মেন্টর’ হিসেবেও পরিচয় করিয়ে দেন পলক।

পলক বলেন, বাংলাদেশসহ পৃথিবীজুড়ে যেটা প্রয়োজন, তা হলো সমস্যা সমাধানকারী সাহসী নেতৃত্ব। সেই নেতৃত্ব তৈরি করতে পারলে ২০২১ থেকে ২০৪১ সালের জার্নি পূরণ করতে পারবো।

তবে এ জন্য ই-কমার্সের জন্য ‘এক্ষুণি প্রয়োজন’ করণীয় কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেন তিনি।

এটুআইকে ২০২৩ সালের ৩০ ডিসেম্বরের জন্য বাস্তবায়নযোগ্য একটি আর্জেন্ট অ্যাকশন প্লান দেয়ার তাগিদ দিয়ে পলক বলেন, এডুকেশন, হেলথ, এগ্রিকালচার, ইমপ্লয়মেন্ট এবং ইনোভেশন ও ডেটা নিয়ে আমরা কোভিডে বেশ কিছু কাজ করেছি। তবে ২০৪১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য তিনটি ধাপে কর্ম পরিকল্পনা করতে হবে। জরুরী, মধ্যমেয়াদী ও লক্ষ্য বাস্তবায়ন স্তরে এই কর্মপরিকল্পনা করতে হবে। এজন্য ২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে না।

এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড.দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকতা মোহাম্মদ আরফে এলাহী, হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। সোর্স: ডিজিটাল বাংলা

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন