বদির ৩ ভাই অভিযুক্ত

আমাদের সময়::
কক্সবাজারে গত বছর আত্মসমর্পণকারী ১০১ ইয়াবাকারবারির বিরুদ্ধে দায়ের দুটি মামলা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এতে টেকনাফ-উখিয়ার সাবেক সাংসদ আলোচিত-সমালোচিত আবদুর রহমান বদির তিন ভাই এবং এক ভাগ্নে অভিযুক্ত হয়েছেন। গতকাল সোমবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে চার্জশিট দুটি দাখিল করা হয়। পরে আদালত সেগুলো আমলে নেন বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেন তালিকাভুক্ত ও চিহ্নিত ১০২ ইয়াবাকারবারি। এদের কাছ থেকে ইয়াবার পাশাপাশি জব্দ করা হয় বেশকিছু অস্ত্র ও গুলি। এর পর তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দুটি করে। এদের মধ্যে টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের মুণ্ডারডেইল এলাকার ফজল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল কারাবন্দি থাকাবস্থায় মারা যাওয়ায় তার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন বদির তিন ভাই আবদুর শুক্কুর, আমিনুর রহমান ওরফে আবদুল আমিন, ফয়সাল রহমান এবং ভাগ্নে সাহেদ রহমান নিপু। বাকিরা হলেনÑ টেকনাফ পৌর এলাকার দিদার মিয়া, আবদুল আমিন, নুরুল আমিন, শফিকুল ইসলাম সফিক, আবদুর রহমান, জিয়াউর রহমান; সাবরাং ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে দানু মেম্বার; শাহপরীর দ্বীপের রেজাউল করিম মেম্বার, শামসু মেম্বার, সাহেদ কামাল, নুরুল আমিন, আলী আহমদ, মৌলভী বশির, হোসেন আহমদ, শওকত আলম, রাসেল; ডেইলপাড়ার নুরুল আমিন; মুণ্ডার ডেইলের মনজুর; আলীর ডেইলের জাফর আহমদ, আবদুল হামিদ, শামীম; দক্ষিণ নয়াপাড়ার নূর মোহাম্মদ, আলমগীর ফয়সাল; ডেইলপাড়ার মো. সাকের মিয়া; নয়াপাড়ার মো. তৈয়ব; টেকনাফ পৌর এলাকা ও সদর ইউনিয়নের পৌর কাউন্সিলর নুরুল বশর ওরফে নুরশাদ; দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ইমাম হোসেন; বড় হাবিবপাড়ার ছিদ্দিক; পুরনো পল্লানপাড়ার শাহ আলম; অলিয়াবাদের মারুফ বিন খলিল বাবু; মৌলভীপাড়ার একরাম হোসেন; মধ্যম ডেইলপাড়ার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ; চৌধুরীপাড়ার মংমং ছেং ওরফে মমচি; দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার জুবাইর হোসেন; মধ্যম জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হক; ডেইলপাড়ার আবদুল আমিন; নাজিরপাড়ার এনামুল হক মেম্বার, ভুট্টোর ভাগ্নে আফসার, আবদুর রহমান, সৈয়দ হোসেন, মো. রফিক, মো. হেলাল, জামাল হোসেন; মৌলভীপাড়ার মো. আলী; নাইটংপাড়ার মো. ইউনুস; উত্তর লম্বরীর আবদুল করিম ওরফে করিম মাঝি; সদর কচুবনিয়ার বদিউর রহমান; রাজার ছড়ার আবদুল কুদ্দুস; জাহালিয়াপাড়ার মো. সিরাজ; নতুন পল্লানপাড়ার মো. সেলিম; নাইট্যংপাড়ার মো. রহিম উল্লাহ; চৌধুরীপাড়ার মোহাম্মদ আলম; তুলাতলীর নুরুল বশর; হাতিয়ার ঘোনার দিল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ হাছন; রাজারছড়ার হোসেন আলী; উত্তর জালিয়াপাড়ার নুরুল বশর মিজি, আবদুল গনি; জালিয়াপাড়ার মো. হাশেম; পুরান পল্লানপাড়ার ইসমাইল; নাইট্যংপাড়ার আইয়ুব, নুর হাবিব; মাঠপাড়ার কামাল; শিলবনিয়াপাড়ার আইয়ুব; জালিয়াপাড়ার আলম, নুরুল আলম; বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরার নুরুল আলম; শামলাপুর জুমপাড়ার শফিউল্লাহ, ছৈয়দ আলম; উত্তর শীলখালীর মো. আবু সৈয়দ; হ্নীলা ইউনিয়নের হ্নীলা পশ্চিম লেদার নুরুল হুদা মেম্বার; আলীখালীর জামাল মেম্বার, শাহ আজম; পশ্চিম সিকদারপাড়ার সৈয়দ আহমদ, রশিদ আহমদ; পশ্চিম লেদার নুরুল কবীর; পূর্বলেদার জাহাঙ্গীর আলম; জাদিমোড়ার মোহাম্মদ হাসান আবদুল্লাহ; লেদার ফরিদ আলম, মো. হোছন, জহুর আলম, আবু তাহের, বোরহান, হামিদ, রবিউল আলম; আলীখালীর হারুন; হ্নীলা পশ্চিম সিকদারপাড়ার মাহাবুব; বাজারপাড়ার মো. শাহ; পূর্ব পানখালীর নজরুল ইসলাম; পশ্চিম পানখালীর নুরুল আবছার; ফুলের ডেইলের রুস্তম আলী, আলী নেওয়াজ, আবু তৈয়ব ও রমজান এবং কক্সবাজারের শাহজাহান আনসারী।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন