ad

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ভেস্তে যাওয়ায় হতাশ-ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

ব্যাপক আয়োজনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্বিতীয়বারের মতো ভেস্তে যাবার পর হতাশ ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয়রা। এর পেছনে সরকারের কুটনৈতিক ব্যর্থতার অভিযোগ তাদের। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার নেতিবাচক প্রচারণাকেও দুষছেন। অবশ্য উন্নয়ন সংস্থাগুলো এই অভিযোগ মানতে নারাজ।

গেলো বছরের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফেরত নেবার কথা জানিয়েছিলো মিয়ানমার। কিন্তু সেখানে উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় সেবার কোনো রোহিঙ্গাই মিয়ানমারে যেতে রাজি হয়নি।

নয় মাসের বেশি সময় পর আবারও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ৩৫৪০ জনের তালিকা দেয় মিয়ানমার। এবারো ভেস্তে গেছে সেই উদ্যোগ। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাবার শর্তের তালিকা ইতোমধ্যে আরো বড় ও সুনির্দিষ্ট হয়েছে।

এসব শর্তের একটিও বাংলাদেশের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। আর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এভাবে ভেস্তে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক সনজিত ধর বলেন, অভিযোগ উঠেছে রোহিঙ্গাদের এমন অনড় অবস্থানের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে ক্যাম্পে সেবা কার্যক্রম চালানো উন্নয়ন সংস্থাগুলো। প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত নেতিবাচক প্রচারণার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নানামুখী দাবি-দাওয়া উত্থাপনে উৎসাহী করছে তারা। যার ফলে প্রত্যাবাসনের সামান্য সম্ভাবনাও অংকুরে নষ্ট হচ্ছে।

তবে এই ধরনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে উন্নয়ন সংস্থার ফোরামগুলো।

এদিকে স্থানীয়া আরও বলছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর আগে উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি জরুরি কুটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা।

ad