সৌদিতে বাংলাদেশি গৃহকর্মী নির্যাতন থামছে না

চলতি বছরের জুলাই মাসে দুবছরের কন্ট্রাক্ট ভিসায় গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে যান মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের মুনিয়া আক্তার (ছদ্মনাম)। খাবার না দেওয়া এবং নির্যাতনের কারণে দুমাসও থাকতে না পেরে ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খালি হাতে দেশে ফেরেন তিনি। মুনিয়া আক্তার সময়ের আলোকে বলেন, ওখানে প্রচুর কাজ করতে হতো; কিন্তু খাবার দিত না। কোনো কোনোদিন না খেয়েই কাটাতে হতো। যেদিন খাবার দিত সেদিন প্রচুর কাজ করাত। বলত, ‘তোকে তো বিক্রি করে দিয়েছে।’ মালকিনের মায়ের বাসায় নিয়ে গেলেই তার ভাই শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য চাপ দিত। একপর্যায়ে ভীষণ অসুস্থ হয়ে যাই, চিকিৎসা করায়নি। তারপরও মালিক আসতে দিতে চায়নি। অনেক কান্নাকাটির পর ওদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না দেওয়ার শর্তে দেশে আসতে দেয়।

চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে যান হবিগঞ্জের সাজনা বেগম। পরিবারের দাবি, দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বারবার ফোন করে আকুতি জানান এবং একপর্যায়ে তাকে মেরে ফেলার আশঙ্কার কথাও জানান সাজনা। মুক্তিপণের ২ লাখ টাকা দেওয়ার পরও নির্যাতনে গত ২ আগস্ট সৌদি আরবে মারা যান সাজনা বেগম। তার মৃতদেহ এখনও সৌদি আরবের হিমঘরে আছে।

হাসপাতালে আয়ার কাজ দেওয়ার কথা বলে জুন মাসে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল হাবিবা আক্তারকে। কিন্তু দেওয়া হয় অন্য কাজ। সেখানে নির্যাতিত হলে পালিয়ে যান তিনি। এরপর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছাড়িয়ে এনে আবারও নির্যাতন করা হয়। গত সপ্তাহে দেশে ফেরেন হাবিবা। তিনি সময়ের আলোকে বলেন, কাজে যোগ দেওয়ার দুদিন পর গৃহকর্তা বলেন, ‘তোকে কিনে এনেছি, তোকে তোর দেশের লোকেরা বিক্রি করে দিয়েছে। যা বলব শুনতে হবে।’ বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে বললে শুরু হয় অমানুষিক নির্যাতন। ফেরত পাঠানোর জন্য দালাল এবং রিক্রুটিং এজেন্সি ৪ লাখ টাকা দাবি করে। উপায় না পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দিলে এই চক্রের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা এখন জেলে আছে।

মুনিয়া-হাবিবা-সাজনার মতো অসংখ্য নারীকর্মী মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরছেন প্রতিনিয়ত। কেউ ফিরছেন লাশ হয়ে। এসব নারী নিয়োগকর্তা ও নিয়োগকর্তার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার। নির্যাতনে আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটছে। পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা ও সন্তান নিয়ে দেশে ফেরার ঘটনাও আছে; কিন্তু দায় নিচ্ছে না কেউ।

বাংলাদেশ জনশক্তি রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ১৯৯১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবে গেছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭০০ নারীকর্মী। গত পাঁচ বছরে গেছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৬০০ জন। ২০২০ সালে সৌদিতে গেছে ১২ হাজার ৭৩৫ জন।

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের দেওয়া তথ্য মতে, প্রবাসে নারী শ্রমিকদের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গত পাঁচ বছরে ৪৮৭ জন নারী শ্রমিকের মৃতদেহ দেশে ফিরেছে। সবচেয়ে বেশি মৃতদেহ এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশে ফেরা ৪৮৭ নারীর মৃতদেহ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আত্মহত্যায় মৃত্যু হয়েছে ৮৬ জনের, স্ট্রোকে মারা গেছে ১৬৭ জন, দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৭১ জন, স্বাভাবিক মৃত্যু ১১৫ জনের, খুন হয়েছে ২ জন এবং অন্যান্য কারণে মারা গেছে ৪৬ জন। ২০২০ সালের প্রথম ১০ মাসে সৌদি থেকে ২২ নারী গৃহকর্মীর মৃতদেহ এসেছে দেশে। এদের সিংহভাগই হত্যার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বিভিন্ন দেশে গিয়ে সমস্যায় পড়া নারী শ্রমিকদের ২ হাজার ৩৩৬ জন আউট পাসের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে। ২০২০ সালে আউট পাস ও পাসপোর্ট নিয়ে ফিরেছে ৫০ হাজার ৬১৪ জন নারী শ্রমিক।

গত ২৬ মার্চ সৌদি আরব থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সন্তান নিয়ে দেশে ফিরেছেন নরসিংদীর ২৭ বছর বয়সি শাহনাজ আক্তার। মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় মক্কার কেন্দ্রীয় জেলে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। গত ২ এপ্রিল নিজের আট মাসের শিশুসন্তানকে বিমানবন্দরে ফেলেই চলে গেছেন সৌদিফেরত আরেক নারী। গত কয়েক বছরে বিদেশে চাকরি করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার, পরে সন্তান নিয়ে দেশে ফিরেছে বেশ কয়েকজন নারী। ব্র্যাক এমন ১২ নারীকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দিচ্ছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক জাহিদ আনোয়ার সময়ের আলোকে বলেন, সন্তানসহ দেশে ফেরা ১৫ নারী শ্রমিককে পুনর্বাসনের কাজ চলছে। তবে কতজন নারী কাজ করতে গিয়ে সন্তান নিয়ে ফিরেছে, সে তথ্য কোথাও সংরক্ষণ করা নেই।

সৌদির জেদ্দার লেবার কনসুলেট মো. আমিনুর রহমান সময়ের আলোকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে যে নারীকর্মী সৌদি আরবে আসে তারা নির্যাতিত হলে আইনি প্রতিকার পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সৌদির শরিয়াহ আইন খুব কঠিন। তারা আমাদের কাছে অভিযোগ করতে পারে। সেটা না করে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে গিয়ে বললে তো কোনো লাভ হবে না। জেদ্দায় এমন কোনো ঘটনা নেই বলে জানান তিনি।

মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. মিজানুর রহমান সময়ের আলোকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযোগগুলো একই ধাঁচের। এটা মিথ্যা অভিযোগ নয়। প্রবাসে আমাদের নারীকর্মীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হবেন, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নারীকর্মী পাঠানোর বিষয়ে আমাদের সরকার সৌদি সরকারের সঙ্গে যথাযথ গ্রাউন্ডওয়ার্ক করেছে বলে মনে হচ্ছে না। আমাদের বার্গেনিং ক্যাপাসিটিটা খুবই নগণ্য। এদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, জাতিসংঘের অভিবাসী সংক্রান্ত যে সদন রয়েছে তাতে এই দেশগুলো স্বাক্ষর করেনি। ফলে এই সদনের সুবিধাটা আমরা নিতে পারছি না। যারা যাচ্ছে তাদের যথাযথভাবে সচেতন করে পাঠানো দরকার। এখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে নারীশ্রমিক পাঠানো উৎসাহিত করব নাকি নিরুৎসাহিত করব এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের খুব দ্রুত সুনির্দিষ্ট নীতি গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে সেসব দেশকে নারীশ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে কালো তালিকাভুক্ত করাটা এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, আমাদের দ্বিপক্ষীয়ভাবে ক‚টনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে হবে। নারীশ্রমিক পাঠানো নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়েছে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সতর্কবার্তা দেওয়া দরকার। একটি রাষ্ট্র শুধু অর্থ আয় করবে, এমনটি বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। এভাবে যৌন নির্যাতন চলতে থাকলে বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে হবে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের হেড শরিফুল হাসান সময়ের আলোকে বলেন, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নারীকর্মী সৌদি আরবে যাওয়া শুরু করে। আমাদের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মীরা কী কী সঙ্কটে পড়ে তা আমরা সবাই জানি। গত ৪-৫ বছরে ১০ থেকে ১৫ হাজার নারী ফেরত এসেছে। তাদের অভিযোগ, খাবার দেয় না, বেতন দেয় না, বাড়িওয়ালা ভালো না, গায়ে আগুন দেয়, শারীরিক নির্যাতন করে। সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে যৌন নির্যাতন। নির্যাতনে মারা গেছে ২০০-এর বেশি নারীকর্মী। শখানেক আত্মহত্যা করেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, ওখানে পরিস্থিতি এমন যে, নিয়োগকর্তা ভালো হলে ভালো, খারাপ হলে একজন নারকর্মীর প্রটেকশন পাওয়া খুব কঠিন। তারপরও সরকার যদি পাঠানো অব্যাহত রাখতে চায় তা হলে একজন কর্মী যেন যথাযথ প্রশিক্ষণ পায়, বিপদে পড়লে প্রতিকার পায়, নিপীড়িত হলে নির্যাতনকারী যেন শাস্তির আওতায় আসে। তা হলে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে।

তিনি বলেন, এগুলো প্রতিকারের জন্য প্রতিটি ঘটনায় যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কেস করা যায়, সৌদি পুলিশকে জানানো যায়, তদন্তে সত্য উদঘাটন ও দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনার জন্য তাদের অনুরোধ করতে হবে। পাশাপাশি নিজেদের দেশের দুর্বলতাগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে আমাদের। যাওয়ার পর যেন বিপদে না পড়ে সেজন্য সৌদি সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। তা হলে সঙ্কট কমে আসছে।

বিনা টাকায় যাওয়া নির্যাতনের কারণ : বাংলাদেশের নারীদের গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে যেতে কোনো টাকা লাগে না। গৃহকর্তা সব খরচ বহন করে। এটাও নির্যাতনের একটা বড় কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ইনফরমেশন ম্যানেজার আল আমিন নয়ন সময়ের আলোকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে একজন নারীকর্মীকে সৌদিতে পাঠানোর জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে ১২ হাজার রিয়াল (বাংলাদেশি টাকায় আড়াই লাখ টাকা) দেওয়া হয় নিয়োগকর্তার তরফ থেকে। এ টাকা ওই নারীকর্মীর মেডিকেল, পাসপোর্ট, ট্রেনিং, ম্যানপাওয়ার, বিমান টিকেট এবং তার পরিবারের ২-৩ মাসের ভরণপোষণের জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। কারণ সবকিছু করতে এজেন্সির খরচ হয় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা। দালাল পায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। বাকি টাকা এজেন্সির লাভ থাকে। ওই নারীকর্মী যখন সৌদি যায় তখন নিয়োগকর্তা স্বাভাবিকভাবে দাবি করে, ওর সব খরচ তো আমি দিয়েছি, যা বলব তা কেন করবে না। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, অনেক নিয়োগকর্তা বলে, ‘তোকে বিক্রি করে দিয়েছে, তোকে তো টাকা দিয়ে কিনে এনেছি।’ এসব কথা বলে যৌন নির্যাতনসহ নানা ধরনের নির্যাতন করে। সব কথা শুনতে বাধ্য করে। বিনা টাকায় যাওয়াও নির্যাতনের একটা কারণ।

সৌদি আরবে দীর্ঘদিন কর্মরত মনির হোসেন মোবাইল ফোনে সময়ের আলোকে জানান, সৌদি ভাষা না জানায় অনেক বাংলাদেশি নারী সঠিক বিচার পায় না। তারা জানে না কোথায় অভিযোগ করতে হবে। তাই যৌন নির্যাতনের স্বীকার হলেও মুখ বুজে সহ্য করতে বাধ্য হয়। যারা সহ্য করতে পারে না তারা ফিরে যায়। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ দিলেও সাক্ষীর অভাবে কিছুই হয় না। অল্প টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। এখানে অনেকেই এখন দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশি দালাল সিন্ডিকেট এখানেও খুব সক্রিয়। তারা সৌদিদের ম্যানেজ করে গৃহকর্মীর ভিসা বের করে বাংলাদেশ থেকে মেয়েদের এনে এসব করতে বাধ্য করছে বা বিক্রি করে দিচ্ছে।

রিক্রুটিং এজেন্সিজ ঐক্য পরিষদের সভাপতি টিপু সুলতান সময়ের আলোকে বলেন, ১০ লাখের বেশি নারিকর্মী প্রবাসে রয়েছে। তাদের কারও কারও ওপর নির্যাতন হচ্ছে এটা সত্য। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে। এজন্য সরকার এবং সৌদি দূতাবাসকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। এটার অভাব রয়েছে। যারা নির্যাতিত হচ্ছে তাদের উচিত সেখানে অভিযোগ করা। সব রিক্রুটিং এজেন্সি ভালো নয়। যদি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, একজন নারীকর্মীকে সৌদিতে পাঠানোর জন্য যা খরচ হয় তার সবটুকু ইনভেস্ট করে রিক্রুটিং এজেন্সি। এদেশের দালালকেও টাকা দিতে হয়। সৌদিতে সেই নারীকর্মী যাওয়ার ৯০ দিন অতিবাহিত হলে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিকে সৌদির রিক্রুটিং এজেন্সি ৮-৯ হাজার রিয়েল দেয়। সৌদির রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগকর্তার কাছ থেকে আরও বেশি টাকা নেয়।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সালমা আলী সময়ের আলোকে বলেন, সৌদি আরব, লেবানন, ওমান ও জর্ডানে নারী নির্যাতনের ঘটনা বেশি। তারা নারীকে ভোগ্যপণ্য মনে করে। সেখানে কাজের মেয়েকে তারা ‘ব্যবহার’ করে, মুতা (সাময়িক) বিয়ে করতে পারে, ওখানে শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন করে- এটা জেনেশুনে কেন আমাদের নারীদের সেখানে গৃহকর্মী হিসেবে পাঠাব- এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি। যেহেতু নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, সেহেতু সৌদিতে নারী গৃহকর্মী পাঠানোর বিপক্ষে মত দেন এই মানবাধিকার কর্মী।সময়ের আলো

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন