শুনানিতে যাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীও

ডেস্ক রিপোর্ট::
আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার শুনানিতে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক নয় দাবি কোরে সেনা মুখপাত্র বলেন, গাম্বিয়ার মামলার মধ্য দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার সুযোগ পেয়েছে নেইপিদো। এদিকে, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত প্রমাণ আছে উল্লেখ করে, মামলায় জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী গাম্বিয়াকে সহায়তাকারী ওয়াশিংটনের আইনজীবী পল রাইখলার।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলায় মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি’র পর এবার শুনানিতে অংশ নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা। শুক্রবার সেনা মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন তুন দাবি করেন, মামলার বিষয়ে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করছে তারা। রোহিঙ্গা সংকটের শুরুটা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর কারণে হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, তারা রাখাইনের বাসিন্দা নয়।

তবে মামলায় জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বাদীপক্ষ। গাম্বিয়াকে সহায়তাকারী ওয়াশিংটনের আইনজীবী পল রাইখলার জানান, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার উপযুক্ত প্রমাণ রয়েছে। বিশেষ করে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের পাশাপাশি আরও অনেক মানবাধিকার সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

পল রাইখলার বলেন, ‘রোহিঙ্গা নৃশংসতার অনেক প্রমাণ আছে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার স্যাটেলাইটের ছবি আছে। এছাড়া মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তার বিবৃতি রয়েছে। যেগুলো একসঙ্গে করলে এটা স্পষ্ট যে, রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমরা আশাবাদী গাম্বিয়ার এসব প্রমাণাদির বিষয়ে আদালত একমত হবেন।’

এর আগে, রোহিঙ্গা গণহত্যা তদন্তে চলতি মাসে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার অনুমতি দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা হয় আর্জেন্টিনার আদালতেও।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন