ad

রোহিঙ্গারা থাকলে সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা বাংলাদেশের

সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ইদানীং রোহিঙ্গারা কিছুটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জড়িয়ে পড়েছে। এটা আমরা অনেক দিন ধরেই আঁচ করেছিলাম, এই বিরাট সংখ্যক লোক যদি পড়ে থাকে, তাহলে তাদের সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা আছে। এ জন্য মিয়ানমারকে আবার জোর দিয়ে বলব, তোমরা তোমাদের কথা রাখো। তোমাদের লোকগুলোকে অতি দ্রুত নিয়ে যাও।

আজ বুধবার (১২ জুন) রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিকদেরকে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, আর তাদের (মিয়ানমারের) বন্ধুপ্রতিম দেশ যারা, তাদেরও আমরা সম্প্রতি বলছি প্রতিনিয়ত এবং বলে যাব। তাদের আমরা জোর করে বলব, তোমরাই আমাদের উপদেশ দিয়েছ দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে ফেরত দেওয়ার। আগে আমরা দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে ফেরত দিয়েছি। তোমাদের বন্ধুকে বলো, ওদেরকে নিয়ে যেতে। আমাদের কষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই বিশাল সংখ্যক লোকদের দেখা ও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। তাই তাদের ফেরত নিতে বল তোমরা। কারণ, যদি না নিয়ে যায় (রোহিঙ্গাদের মধ্যে) সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়তে পারে, তখন তোমরা যে ওখানে বিনিয়োগ করেছ বা করবে বলে আশা করেছ, সবকিছু ভেস্তে যাবে। যদি অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে সেখানে উন্নয়ন সহজে হয় না।

ড. মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমার কোন কথাই রাখেনি, বরং বহু টালবাহানা করছে। এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চালাচ্ছে বিশ্বজুড়ে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যর সৃষ্টি মিয়ামনার সেনাবাহিনী কর্তৃক, ভুল যা করছে তারা (মিয়মানমার) অথচ দোষ চাপাচ্ছে বাংলাদেশের উপর। সমস্যা সৃষ্টি তাদের, শুধুই ভুক্তভোগী বাংলাদেশ। এখন মিয়ানমার বলছে বাংলাদেশের সদ্বিচ্ছার জন্য রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে পাচ্ছে না। এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট কথা এবং সত্যের অপলাপ করছে মিয়ানমার। তারা উদ্দেশ্য মহৎ নয় বলেই অন্যের উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা কোন অংশ না হয়েও রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন ভিকটিম হয়ে গেছি।

ad