ad

মিয়ানমার বিমানবন্দরে আবারো প্লেন দুর্ঘটনা

ঢাকা: মিয়ানমারে বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ ভেঙে তিন টুকরো হওয়ার মাত্র তিনদিন পরই দেশটিতে আবারও দুর্ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১২ মে) মান্দালয় বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে মিয়ানমার এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। ল্যান্ডিংয়ের সময় সামনের চাকা না খোলায় মুখ থুবড়ে পড়ে সেটি। সৌভাগ্যবশত এদিনও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, রোববার ৮২ জন যাত্রী নিয়ে ইয়াঙ্গুন থেকে ছেড়ে আসে ব্রাজিলের তৈরি এমব্রেয়ার ১৯০-এলআর উড়োজাহাজটি। রানওয়ে স্পর্শ করার সময় এর সামনের চাকাগুলো আটকেই ছিল। শুধু পেছনের চাকায় ভর করে মুখ থুবড়ে পড়ে সেটি। এসময় রানওয়ের সঙ্গে ঘঁষা লেগে আগুনের ফুলকি উঠতে দেখা যায়। বেশ কিছু দূর এগিয়ে শেষ পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই থেমে যায় উড়োজাহাজটি।

ল্যান্ডিংয়ের আগেই পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ারকে যান্ত্রিক গোলযোগের কথা জানিয়েছিলেন বলে জানান মান্দালয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক মুখপাত্র।

ঘটনার বর্ণনায় মিয়ানমার এয়ারলাইনস তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে জানায়, উড়োজাহাজটির যন্ত্র নির্দেশক ও ক্রু সতর্কতা ব্যবস্থায় (ইআইসিএএস) সামনের ল্যান্ডিং গিয়ারের গোলযোগ ধরা পড়েছিল। চাকাগুলো খুলতে পাইলট ইমারজেন্সি ব্যাকআপের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। এসময় কন্ট্রোল টাওয়ারের পাশে উড়োজাহাজটি দু’বার চক্কর দেয়।

উড়োজাহাজের ওজন কমাতে জ্বালানি তেল ফেলে দেন ক্যাপ্টেন। পরে সকাল ৯.০৯টায় মাটিতে নেমে আসে সেটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক যাত্রীর পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজ থেকে জরুরি পথে যাত্রীরা নেমে আসছেন। তাদের মধ্যে কাউকেই গুরুতর আহত মনে হয়নি।

দুর্ঘটনার পর অন্তত আড়াই ঘণ্টা বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামা বন্ধ ছিল। পরে কয়েকটি ছোট উড়োজাহাজ চলাচল করলেও সন্ধ্যা থেকে আবার পুরোদমে বিমানবন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

গত বুধবার (৮ মে) খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরের রানওয়েতে ছিটকে পড়ে। ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজটি ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গেলে আহত হন পাইলটসহ ১৫ আরোহী।

ad