ad

নিজেদের সমস্যায় আমাদের জড়াবেন না: মিয়ানমারকে বাংলাদেশ

ঢাকা: মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘আরাকান আর্মি’ ও সশস্ত্র রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আরসা’ নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে দেশটির রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া বিবৃতির কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) কূটনৈতিক চ্যানেলে মিয়ানমারকে এ প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়ে। বুধবার (৯ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ানমার সরকারকে দেওয়া প্রতিবাদপত্রে ঢাকা বলে, বাংলাদেশে আরাকান আর্মি কিংবা আরসার কোনো ঘাঁটি নেই। মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মুখপাত্র আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে গণমাধ্যমে যে বিবৃতি দিয়েছে তা মিথ্যা ও মনগড়া।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্র মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে দুইটি আরাকান আর্মি ও তিনটি আরসার ঘাঁটি রয়েছে। দেশটির এমন মন্তব্যে বাংলাদেশ আহত ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানোসহ এমন মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশের মাটিতে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই। সন্ত্রাস বিষয়ে বাংলাদশ কোনো ছাড় দেয় না। তাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিদেশি সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম চালানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

সন্ত্রাস ও চরমপন্থা নির্মূলে বাংলাদেশ বিশ্বকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশের ভেতরে বিদেশি কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব থাকার প্রশ্নই আসে না। বাংলাদেশ বিদেশি কোনো সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকেও প্রশ্রয় দেয় না। বাংলাদেশের নিরাপত্তা প্রহরীরা সার্বক্ষণিকভাবে সীমান্তসহ সারাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্তায় আরও বলা হয়, সন্ত্রাস ও চরমপন্থা নির্মূল করতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ একাধিকবার মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানালেও দেশটি এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

ad