বাংলাদেশের বড় জয়ে টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ

প্রতিরোধ যা গড়ার তা গড়লো জিম্বাবুয়ে পঞ্চমদিনের প্রথম সেশনে। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে এসে ভেঙ্গে গেল সব প্রতিরোধ। চা বিরতির ৩৫ মিনিট আগে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে গেল ২২৪ রানে। বাংলাদেশ ঢাকা টেস্ট জিতলো ২১৮ রানের বড় ব্যবধানে। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষ হলো ১-১ জয়ের সমতায়।

শেষ ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৪৪৩ রানের চ্যালেঞ্জের পেছনে ছুটতে নেমে চতুর্থদিন জিম্বাবুয়ে তুলেছিলো ২ উইকেটে ৭৬ রান। শেষদিনের সকালে বাংলাদেশ আরো দুই উইকেট তুলে নিলেও স্কোরবোর্ডে রানের সঞ্চয় ঠিকই বাড়ায় জিম্বাবুয়ে। একপ্রান্ত আকঁড়ে ধরে ব্যাট করে যান ব্রেন্ডন টেলর। দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখান তিনি ঢাকা টেস্টে। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরির হাসিতে উজ্জ্বল তার ব্যাট। কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে বাকিরা যে তাকে সঙ্গ দিতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৬ রানে অপরাজিত ছিলেন টেলর। বাংলাদেশের বিপক্ষে এক টেস্টের উভয় ইনিংসে এটা টেলরের সেঞ্চুরির দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে হারারে টেস্টে ২০১৩ সালে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরির কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন টেলর। পাঁচ বছর আগের সেই টেস্টে জিম্বাবুয়ে জিতলেও এবার আর টেলরের সেঞ্চুরিতেও টেস্ট বাঁচাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

ad

শেষদিন ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ দলের বোলিং হিরো ছিলেন অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৮ রানে ৫ উইকেট পান মিরাজ।

সিরিজের প্রথম টেস্ট সিলেটে জিম্বাবুয়ে জিতেছিলো ১৫১ রানে। ঢাকা টেস্ট ২১৮ রানে জিতে সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ সমতায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: (পঞ্চমদিন লাঞ্চ পর্যন্ত) বাংলাদেশ ১ম ইনি:৫২২/৭  (১৬০ ওভারে ওভারে, ইমরুল ০, লিটন ৯, মিঠুন ০, মমিনুল ১৬১, মুশফিক ২১৯*, তাইজুল ৪, মাহমুদউল্লাহ ৩৬, আরিফুল ৪, মেহেদি মিরাজ ৬৮* অতিরিক্ত ২১ , জারভিস ৫/৭১)। জিম্বাবুয়ে ১ম ইনি:৩০৪/১০ (১০৫.৩ ওভারে, মাসাকাদজা ১৪, চারি ৫৩, টেলর ১১০, মুরস ৮৩, চাকাভা ১০, তাইজুল ৫/১০৭, মিরাজ ৩/৬১, আরিফুল ১/১০)। বাংলাদেশ ২য় ইনি:২২৪/৬ ডি, (৫৬ ওভারে, মাহমুদউল্লাহ ১০১*, মিঠুন ৬৭, মিরাজ ২৭*, জারভিস ২/২৭, তিরিপানো ২/৩১)।  জিম্বাবুয়ে ২য় ইনি: ২২৪ (৮৩.১ ওভারে, ব্রায়ান চারি ৪৩, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ২৫, টেলর ১০৬*, উইলিয়ামস  ১৩, সিকান্দার রাজা ১২, মুরস ১৩, তাইজুল ২/৯৩, মিরাজ ৫/৩৮, মুস্তাফিজ ১/১৯)। ফল: বাংলাদেশ ২১৮ রানে জয়ী। সিরিজ: বাংলাদেশ ১, জিম্বাবুয়ে ১।