ad

বর্ষসেরা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক হোবাইব

পেকুয়া প্রতিনিধি::
মহেশখালীতে অস্ত্রের কারখানা ও জলদস্যুদের বিরুদ্ধে দৈনিক পূর্বকোণে কয়েকটি প্রতিবেদনে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বিভিন্ন সময় হৈ চৈ শুরু হয়। ফলের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সমাজের মূল স্রোতের বাইরে থাকা মানুষ গুলো আলোর মূখ দেখতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে আলোচিত এই তরুণ প্রজম্মের সাংবাদিক হোবাইব মহেশখালী উপকূলে সূচনা করেছেন নতুন এক অধ্যায়ের। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক আকরাম হোসেনকে বণার্ঢ্য সংবর্ধণা মফস্বলের বর্ষসেরা সংবাদকর্মী ও গুণিজণ সম্মাণা প্রদান অনুষ্ঠানের।
মহেশখালীতে সন্ত্রাস বিরোধী সংবাদ প্রকাশে বিশেষ অবদান রাখায় দৈনিক পূর্বকোণ ও বিজয় টিভির সাংবাদিক বর্ষসেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে মহেশখালী উপকূলের ক্রাইম রিপোর্টার ও শান্তির বাহক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে অনূষ্টানের প্রধান অতিথি পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, সংবর্ধিত অতিথি জলদস্যু ও ইয়াবা কারবারীদের আত্মসমর্পণের মধ্যস্থকারী চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক আকরাম হোসাইন ও বিশেষ অতিথি অধ্যক্ষ ড.মোঃ সানাউল্লাহর হাত থেকে এ সম্মাণা ক্রেস গ্রহণ করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১ টার সময় সাংবাদিক এম.এম আকরাম হোসাইন এর সংর্বধনা বর্ষসেরা মফস্বল সংবাদকর্মীসহ গুণীজন সম্বর্ধণা অনুষ্ঠানে তিনি এ সম্মানা ক্রেস গ্রহণ করেন।
এ সময় উক্ত অনুষ্টানে আকরাম হোসাইনকে সংবর্ধণায় এক পর্যায়ে বক্তারা সমগ্র দেশের আগামী প্রজম্মের শান্তির অগ্রদূত ও প্রেরণা হিসেবে এ স্বাকৃতি দেয়া হয় সাংবাদিক আকরাম হোসাইনকে। এছাড়া সাংবাদিক হোবাইব মহেশখালীতে শান্তির আলো ছড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে ঘোষণা দেন বক্তরা। আকরাম হোসাইন গত ২০১৮ সনের ২১ অক্টোবর দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর অস্ত্রের কারখানা ও জলদস্যুদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করিয়ে দেশব্যাপি আলোচিত হন। এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি টেকনাফে ১০২ জন ইয়াবাকারবারীদের আত্মমর্পণ ঘটনায় গঠিয়ে দেশ জুড়ে তকমা লাগিয়ে দেন। আত্মসমর্পণকারী মহেশখালী ভিত্তিক ছয়টি বাহিনীর ৪৩ জন সদস্যের মধ্যে ৫ বাহিনীর ৩৭ জনই মধ্যস্থতা করেন তিনি নিজেই। মহেশখালীতে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্যস্থকারী আকরাম হোসাইন হলে ও জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের স্থানিয় সাংবাদিক হোবাইবের কৃতিত্ব থাকায় চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক আকরাম হোসেনের বিভিন্ন সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত করে হোবাইব সজীবকে বিভিন্ন প্রেসক্লাব ও সামাজিক সংগঠন পূরুস্কৃত করেছেন।
এছাড়া গত ১৩ জানুয়ারী দুপুর ১ টার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন হোবাইব সজীব। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সাক্ষাতকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক হোবাইবকে বলেন,মহেশখালীর মতো সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় আপনাদের মত স্থানীয় সাংবাদিকেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে জলদস্যু বাহিনীদের আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটে। ভবিষ্যতে ও আপনাদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, সাগরে স্থলে দস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না আসলে অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমার প্রশাসন তাঁদের কঠোর নজরদারী করছে।
সাহসি এই সাংবাদিকের গ্রামের বাড়ি মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোঃ শাহ ঘোনা গ্রামে। এই সাংবাদিক পেশাগত জীবনে ১৪ বছর হলেও কর্ম ও মেধা দিয়ে অনেক দূর এগিয়েছেন। যাঁর কথা বলছিলাম, তিনি হলেন- মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোঃ শাহ ঘোনা গ্রামের মৃত মোজাফ্ফার আহমদ সত্তদাগরের জোষ্ঠ পুত্র ও দাদা তৎকালিন জমিদার মৃত খাইরুল্লাহ মাতাব্বরের নাতী হোবাইব সজীব। কিন্তু ছোটকাল থেকেই সখ ছিল মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করবেন। ২০০৩ সাল থেকেই নিজেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ফেলেন। শীর্ষ দৈনিক পূর্বকোণসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাথে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সিপ্লাস টিভিতে যুক্ত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালের শুরুতে কাজের দক্ষতা পরিচয় দেওয়ায় এ.এম হোবাইব সজীব যোগ দেন-দেশের অন্যতম বেসরকারি টিভি চ্যানেল- বিজয় টিভিতে। অদ্যাবধি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে থেকে দক্ষতার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন দুঃসাহসী তেজি ও বিচক্ষণ এই গণমাধ্যমকর্মী। হোবাইব সজীব মহেশখালী নামক সন্ত্রাসের জনপদকে শান্তির জনপদ হিসেবে পরিণিত করার মহান তাগিদে যে কন্টকার্কীণ যাত্রা শুরু করেছিল তা অদ্যবদি চলমান। এই দীর্ঘ এ যাত্রা পথে সৎ নিরর্ভযোগ্য খবর জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেয়ার মূল লক্ষ ছিল তার এই জনপদকে উত্তোজনা প্রশমন করে শান্তি ফিরিয়ে আনা। তিনি সকল সমলোচনার অন্ধকার বেধ করে হয়েছে আলোকিত এক অভিযাত্রী। কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার ইয়াবাকারবারী ও জলদস্যুদের আরো একটি ব্যতিক্রমী আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া আগামী মাস দু’য়েকের মধ্যে সাংবাদিক আকরাম হোসাইনের হাত ধরে হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। তবে কুখ্যাত অপরাধীদের অন্ধকার জগত থেকে আলোর পথে
ফেরানোর নেশায় মগ্ন এম.এম আকরাম হোসাইনকে সম্বর্ধিত করা হয়েছে-নিজ জম্মস্থান কক্সবাজারের পেকুয়াতে। পেকুয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজিত পেকুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সংর্বধনা ও গুণিজনদের সম্মাণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন-পেকুয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. দিদারুল করিম। দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার
সাংবাদিক এস.এম হানিফ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এড. কামাল হোসেন, পেকুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আযম খাঁন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ছফওয়ানুল করিম প্রমূখ। সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, নবীন প্রবীন গণমাধ্যমকর্মীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। #

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন