প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেল কক্সবাজার কলেজের শিক্ষার্থী তাসলিমা

নিউজ ডেস্ক::
অনার্স চূড়ান্ত পরীক্ষায় গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে কক্সবাজার সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী তাসলিমা সিরাজ প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছে। তাসলিমা সিরাজ ২০১৫ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩.৯৫ পেয়ে সারাদেশে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এরই স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন তাকে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত করে এবং গত ২৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রী উক্ত পদক প্রদান করেন। তাসলিমা সিরাজের বড় বোন ইয়াছমিন সিরাজ এ কলেজই হতেই উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে স্মাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করে এবং ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে প্রভাষক পদের জন্য মনোনয়ন লাভ করেন ও পদায়নের অপেক্ষাধীন। তাছাড়া তার অপর ছোট বোন আসমা সিরাজ ২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কক্সবাজার সরকারি কলেজ হতে বিজ্ঞান শাখায় জিপিএ ৫ অর্জন করে।

তাসলিমা সিরাজ ছাড়াও কক্সবাজার সরকারি কলেজ হতে গণিত বিভাগের আরো একজন শিক্ষার্থী হোসনে আরা ২০১৬ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩.৯৪ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রদান করা হবে। কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে এই প্রথম গৌরবজনক ফলাফলের ভিত্তিতে বিরল স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

ad

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রতি বছর সারাদেশে অনার্স ও মাস্টার্স চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিষয় ভিত্তিক ১ম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীকে এরূপ এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে।

তার গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের জন্য কক্সবাজার সরকারি কলেজ পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও উৎফুল্ল। কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম ফজলুল করিম চৌধুরী স্বর্ণপদকে ভূষিত হওয়ায় তাসলিমা সিরাজকে অভিবাদন জানান এবং পর পর দুই বার দুই জন শিক্ষার্থীই গণিত বিভাগ হতে স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হওয়ায় এ কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষকগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ধারা অব্যাহত রেখে কলেজের সুনাম বৃদ্ধির জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আরো যতœবান হওয়ার জন্য আহ্বান জানান এবং কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও অধ্যবসায় ও শিক্ষার প্রতি আরো মনোনিবেশ করে এরূপ ভাল ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে কলেজের তথা অত্র অঞ্চলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পরামর্শ দেন।