প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৮সেপ্টেম্বর অপরাধকন্ঠ নামে অনলাইন ব্লগে প্রকাশিত ‘‘আশ্রয় ও সহায়তার নামে ”৯ জামাত নেতা মিলে ধর্ষণ করে রোহিঙ্গা নারীকে” শীর্ষক শিরোনামের সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

সংবাদখানা পড়ে আমি রীতিমত হতবাক, বিস্মিত ও বাকরুদ্ধ হয়েছি। এমন বাটোয়ার, আজগুবি, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ কিভাবে পরিবেশন করতে পারে তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না বা আদৌ বিশ্বাসযোগ্য নহে। সাংবাদিকের মত এক মহান পেশাকে কলুষিত করতে এমন আজগুবি সংবাদ প্রচার যথেষ্ট। আমার বিরুদ্ধে যতসব মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য শুধু লিখেই গিয়েছে।

এইছাড়া অপরাধকন্ঠ নামে অনলাইন ব্লগের কোনো সম্পাদকের নাম, ঠিকানা উল্লেখ নেই। মনগড়া ইন্টারনেটে ব্লগ খুলে যা ইচ্ছা লিখেছে।

সংবাদের একাংশে উল্লেখ্য করেছে যে, ‘তৈয়ব আলী ও খাদিজা বেগমের বড় মেয়ে আরফা (১৮)র বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এমন সময় বিভীষিকা নেমে আসলে পরিবারটি রুমখাঁ নামের এক বাংলাদেশী দালাল মাধ্যমে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। পালং গ্রামের করিম বক্সের ছেলে রুমখাঁর মাধ্যমে পরিচয় হয় ডা: ছালাম ও এডভোকেট জালালের সাথে। তারা তৈয়ব ও খাদিজাকে কাজ ও থাকার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া করে দেয়। গত শুক্রবার রোহিঙ্গা দম্পতির বড় মেয়ের সাথে ছালাম ও জালাল অশালীন আচরণ করলে তারা এই দুই জামায়াত নেতার পা ধরে সম্মান রক্ষার আকুতি জানায় বলে উল্লেখ্য করেছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যা লেখা হয়েছে তা কাল্পনিক, মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন প্রকাশিত সংবাদটি সত্য নয়। একটি কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে ভূল তথ্য পরিবেশন করে।

প্রকাশিত সংবাদে ধর্ষণকারী হিসেবে নাম প্রকাশিত হওয়ায় ব্যক্তিগতভাবে সম্মানহানি হয়েছে। পারিবারিকভাবেও বিভিন্ন ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। আমি সচেতন নাগরিক হিসাবে এইসব বিষয়কে অত্যন্ত ঘৃণা করি এবং উক্ত প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি কখনো এইসব কর্মকান্ডের সাথে কতটুকু জড়িত তা সরেজমিন তদন্ত করলে রুমখাঁ পালং সহ আমার পরিচিত এলাকার সর্বস্তরের মানুষ সত্য স্বাক্ষী দিবেন।

প্রকৃতপক্ষে, আমি জীবনের তাগিদে মরিচ্যা বাজার ষ্টেশনে আজ থেকে ৩০বছর যাবৎ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করে হালাল ভাবে পরিচালনা করে এবং এতে আমার সুন্দর জীবন যাপন ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা ফিরে আসলে একটি কূচক্রী ও স্বার্থন্বেষী মহল আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার অবস্থা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা শুরু করেছে। আমার বিরুদ্ধে থানা কিংবা পরিষদে এ পর্যন্ত এমন কোন প্রকার অভিযোগ কিংবা মামলা নেই।

এছাড়া গত ১৮ই সেপ্টেম্বর মায়ানমার থেকে আসা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দু’দিন নিজ চেম্বার বন্ধ রেখে চট্রগ্রাম থেকে আসা সু-পরিচিত ১৫ জন ডাক্তারের সাথে ফ্রি চিকিৎসা করি।

এধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করে সংশ্লিষ্টদের বেকায়দায় ফেলার জন্য যথেষ্ট। সুতরাং প্রকাশিত উক্ত শিরোনামের সংবাদের আমার নামে আনিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত না হওযার বিনীত অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী
ডাঃ আবদু সালাম
রুমখাঁ বাজার
উখিয়া,কক্সবাজার।