নিষিদ্ধ হলেন সারিকা

ডেস্ক রিপোর্ট::
‘অ-শিল্পী সুলভ আচরণের’ জন্য জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকাকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে টিভি নাটকের সংগঠন ‘টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’।

গত ২৮ জুলাই সংগঠনটি তাদের কার্যনির্বাহী সদস্যদের এক সভায় এ সিদ্বান্ত গ্রহণ করে। নিষিদ্ধের আদেশ ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে ২ আগস্ট রাতে এর আহ্ববায়ক তারেখ মিন্টুর স্বাক্ষরিত সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির একটি সূত্রে জানা যায়, প্রযোজক বোরহান খানের অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি ‘অ-শিল্পী সুলভ আচরণের’ জন্য টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাক্টর ইকুইটি বিষয়টি নিয়ে সারিকার সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি সারিকা।

খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে জানা যায়, গত ২১ মার্চ দুটি নাটকের শুটিংয়ে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল অভিনেত্রী সারিকার। আর এ জন্য নির্মাতার কাছ থেকে অগ্রিম পারিশ্রমিক ৫০ হাজার টাকা নেন সারিকা। সেই সঙ্গে রিটার্ন টিকেট ও নাটকের চিত্রনাট্যও বুঝে নিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।
এর আগে ২০ মার্চ সারিকার সাথে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সময়মতো বিমানবন্দর যাবেন তিনি। কিন্তু সঠিক সময়ে বিমানবন্দরে শুটিং ইউনিউ পৌঁছালেও সারিকা যাননি। তারপর থেকেই সারিকার মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

এরপর সারিকাকে ছাড়াই নেপালে চলে যায় শুটিং ইউনিট। তাই পরিকল্পনায় থাকা সারিকাকে নিয়ে নাটক দুটি নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। যার কারণে প্রযোজক বোরহান খান আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। প্রযোজক জানিয়েছেন, নাটক দুটি নির্মাণ করার কথা ছিল দীপু হাজরা ও আসাদুজ্জামান আসাদের৷

ওই বিবৃতিতে সংগঠনটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাটক, মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপনসহ কোনো কর্মকাণ্ডে সারিকাকে না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়। চিঠি প্রাপ্তির পর কোনো সদস্য যদি এই নির্দেশ অমান্য করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে ২ আগস্ট রাতে বেশ কয়েকবার সারিকার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

সারিকা মডেলিং শুরু করেন ২০০৬ সালে। আর অভিনয় ২০১০ সাল থেকে। কিন্তু হঠাৎ ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে তিনি নাটক ও মডেলিং থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপর আর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি।