ad

তোপের মুখে বন্ধ সৌদি আরবের ‘হালাল নাইটক্লাব

চালু হতে না হতেই বন্ধ হয়ে গেল সৌদি আরবের জেদ্দায় ‘হালাল নাইটক্লাব’। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় এটি বন্ধ করে দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ।

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এরাবিয়ান বিজনেসের খবরে বলা হয়, দুবাই ও বৈরুতের নাইটক্লাব ব্র্যান্ড ‘হোয়াইট’ জেদ্দায় তাদের একটি শাখা চালু করতে চেয়েছিল। এই ক্লাবের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজও শেষ হয়েছিল। উদ্বোধনের জন্য সব প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত উদ্বোধনের দিন মার্কিন গায়ক নে-ইয়ো আসার আগেই এটি বন্ধ ঘোষণা করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি সংস্কৃতি বিভাগ একটি টুইট বার্তায় জানায়, নাইটক্লাবটি খুলতে লাইসেন্স নেওয়া হয়নি। এটি পুরোপুরি আইনি প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন গায়ক নে-ইয়ো ইন্সটাগ্রাম পোস্টে বলেন, ‘আমি জেদ্দার জনগণের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। ক্লাব উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে আমাকে বলা হয় যে, এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা আবার এটি চালু করার চেষ্টা করব।’

এদিকে গত সপ্তাহে নাইটক্লাবটি উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হলে মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ক্লাবটির নাম ‘হালাল নাইটক্লাব’ দেওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। সৌদিতেই এর নিন্দা জানানো হয়। আবার কেউ একে স্বাগত জানায়। রক্ষণশীল এই দেশটির সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসায় সাদুবাধ জানায়।

যা ছিল ‘হালাল নাইটক্লাব’-এ:

‘হালাল নাইটক্লাবে’ ওয়াটারফ্রন্ট ছিল। আরো ছিল বিশ্বের খ্যাতনামা মিউজিক গ্রুপের পরিবেশনা। ইলেক্ট্রনিক ডান্স মিউজিক, কমার্শিয়াল মিউজিক, আরএনবি এবং হিপহপ মিউজিক উপভোগ করার ব্যবস্থা ছিল।

এই নাইটক্লাবের লাউঞ্জের একটি অংশে ছিল ড্যান্স ফ্লোর। নারী পুরুষ সবার জন্য এটা উন্মুক্ত ছিল। হোয়াইটের সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই এখানে পাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে এখানে অ্যালকোহল জাতীয় পানি ও মদ পাওয়া যাবে না বলে জানানো হয়েছিল। কারণ সৌদিতে এখনো মদ কেনাবেচা অবৈধ। কেউ যদি মদ কেনাবেচা করে তবে তাকে শাস্তি পেতে হয়।

ad