টেকনাফে বাস-ট্রাক মুখোমুখী সংঘর্ষে আহত ৫

সাইফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুন, টেকনাফ::
টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস-ট্রাক মুখোমুখী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ৫ জন আহত হয়েছে। টেকনাফ স্থল বন্দরের অদুরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘাটের সন্নিকটে টেকনাফ-কক্সবাজার প্রধান সড়কে ১৪ জুলাই দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর ২টার দিকে টেকনাফ থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রীবাহী বাস ঢাকা মেট্রো ব-১৪-২৩৩৮ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিল। অপরদিকে টেকনাফমুখী খালী ট্রাক চট্র মেট্রো ট-১১-৪৭৫৬ টেকনাফের বরইতলী নামক স্থানে পৌঁছলে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। ট্রাকটি হেলপার দ্রুতগতিতে চালাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাক চালক পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা এ দুর্ঘটনার জন্য বেপরোয়া গতির ট্রাক চালককে দায়ী করেছেন। এদিকে ট্রাক চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও বাস চালক দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসে আটকা পড়েন। বাসের যাত্রী ও অন্যান্য গাড়ির যাত্রীরা দীর্ঘক্ষণ প্রাণপন চেষ্টায় বাস চালককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত টেকনাফ উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সিরাজ উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন ও বাহারছড়া নোয়াখালীয়াপাড়া আল-আমিন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা সভাপতি মোঃ আবদুল আমিনের সহায়তায় টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যান। বাস-ট্রাক মুখোমুখী সংঘর্ষে আহতরা হলেন চট্রগ্রামের সাতকানিয়া ছদহা আফজালনগর গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সবুরের পুত্র বাস চালক নজির হোছন (৫০), বাঁশখালী গুনাগরি গ্রামের বাসিন্দা আনিস আহমদের পুত্র বাস হেলপার মোঃ হাসান (২৪), কক্সবাজার উত্তর নুনিয়াছড়া মৃত মোঃ ইউসুফের স্ত্রী সুরত বেগম (৫৫), মোঃ ইসলামের মেয়ে মুবাশ্বেরা আক্তার (১৩), মাহফুজাতুন নুর (১০)। তম্মধ্যে বাস চালক নজির হোছন ও মোঃ ইসলামের মেয়ে মুবাশ্বেরা আক্তার এর অবস্থা গুরুতর। আহতদের টেকনাফ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর আহতদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। টেকনাফ ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এবং সহকারী কমিশনার ভুমি প্রণয় চাকমা জানান, টেকনাফ সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনার খবর পেয়ে আমি সেখানে যায়। দুঘর্টনা কবলিত গাড়ি দুটি উদ্ধার করে হেফাজতে রাখা হয়েছে ও আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।