টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১ মাদক পাচারকারি নিহত, ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:
ককক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক পাচারকারি নিহত এবং পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে; এসময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ইয়াবা ও অস্ত্র।

বুধবার ভোরে শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের (কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানান টেকনাফ থানার পরিদর্শক (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

নিহত ইমাম হোসেন (৩০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে।

তবে পুলিশের ৩ সদস্য আহত হলেও তাদের নাম ও পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ওসি প্রদীপ বলেন, বুধবার ভোর রাতে ইয়াবার বড় একটি চালান গাড়ী যোগে পাচারের খবরে পুলিশের একটি দল শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের (কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় পুলিশের একটি দল অস্থায়ী তল্লাশী চৌকি স্থাপন করে। এসময় কক্সবাজারমুখি একটি অটোরিক্সা আসতে দেখে পুলিশের সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেয়। এতে গাড়ীটি থেকে মাদক পাচারকারিরা অতর্কিত পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশ সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে।

“ এসময় গোলাগুলির এক পর্যায়ে অটোরিক্সা থেকে নেমে ৫ জন লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এতে উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে একজন লোক আহত হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনায় পুলিশের ৩ জন সদস্যও আহত হয়েছে। পরে গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে আশংকাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে সকালে সেখানে আনা হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ”

ওসি বলেন, “ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ হাজার ইয়াবা, ১ টি দেশিয় তৈরী বন্দুক ও ৩ টি গুলি। ঘটনার খবর পেয়ে উত্তেজিত স্থানীয় জনতা ইয়াবা বহনকারি অটোরিক্সাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে অটোরিক্সাটি পুড়ে গেছে। ”

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ইমাম হোসেন সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারি চক্রের সদস্য। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকপাচারে জড়িত থাকার ব্যাপারে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে জানান ওসি প্রদীপ।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন