জাতীয় দলে খেলছেন কক্সবাজারের কৃতি ফুটবলার দিদার

FB_IMG_1472623333454সোয়েব সাঈদ::

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের চূড়ান্ত তালিকায় অর্ন্তভূক্ত হয়ে আর্ন্তজাতিক ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছেন রামুর কৃতি ফুটবলার দিদারুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ বিমানযোগে মালদ্বীপের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সফরকালে আগামী ১ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপের সাথে ফুটবল ম্যাচে অংশ নেবেন রামুর ছেলে দিদারুল আলম। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ সেইন্ট ফিথ দিদারুল আলম সহ ২৩জনের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষনা করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফুটবলার দিদারুল আলম রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব দ্বীপ ফতেখাঁরকুল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবদুল জলিল ও গৃহিনী ছলিমা খাতুনের ছেলে। তিন ভাই, ২ বোনের মধ্যে দিদারুল আলম ৪র্থ।
দিদারুল আলম রামু আলহাজ্ব ফজল আম্বিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে এই্সএসসি পাস করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়ালেখার পাশপাশি ফুটবলের ক্যারিয়ার শুরু করেন।
ইতিপূর্বে দিদারুল আলম চট্টগ্রাম দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল দল ফটিকছড়ির হয়ে, চট্টগ্রাম আবাহনী লি. (জুনিয়র) এর হয়ে চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগলীগে অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর বাংলাদেশের অন্যতম পেশাদার লীগ ঢাকা ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে ২০০৭-০৯ পর্যন্ত তিন মৌসুমে খেলার পর চলে যান টিম বিজেএমসিতে। এরপরে রহমতগঞ্জের হয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশীপ লীগে খেলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হন এবং শেষে পর্যন্ত ঢাকা রহমতগঞ্জ দলের হয়ে পেশাদার লীগে ব্যাপক ক্রীড়া নৈপূন্য প্রদর্শন করে আসছিলেন।
উল্লেখ্য দিদারুল আলমের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমও দেশের স্বনামধন্য ফুটবলার। রামু কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি জাহাঙ্গীর আলম ঢাকা রহমতগঞ্জের হয়ে চলতি সনে স্বাধীনতাকাপ ও ফেড়ারেশন কাপে অংশ নিয়েছেন। এরআগে জাহাঙ্গীর আলম চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে তিনবছর পেশাদার লীগে অংশ নেন। এরমধ্যে শেষের একবছর জাহাঙ্গীর আলম চট্টগ্রাম আবাহনীর সহ অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৯ সাল হতে ৬ বছর পর্যন্ত তিনি রহমতগঞ্জের হয়ে খেলছেন। এরমধ্যে ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জাহাঙ্গীর আলম রহমতগঞ্জ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রামুর সাবেক কৃতি ফুটবলার জ্যোতির্ময় বড়–য়া মঙ্গল জানিয়েছেন, দিদারুল আলম কক্সবাজারেরর অহংকার। এরআগে কক্সবাজার জেলা থেকে সুনীল এবং সবুজ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর দিদারই জাতীয় ফুটবল দলে অন্তর্ভূক্ত হল। দিদার জেলাবাসীকে গর্বিত করেছে।
এদিকে ফুটবলার দিদারুল আলমের জন্য জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বড় ভাই রামু কলেজের প্রভাষক কৃতি ফুটবলার জাহাঙ্গীর আলম।