কক্সবাজার শহরকে মেট্রোপলিটন সিটির ঘোষণা আসছে

ভুমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেছেন, নগরায়নের সুফল যেমনি রয়েছে। তেমনি কুফলও কম নয়। নগর বর্ধিত হলেই সবকিছুতে পরিবর্তন আসে। নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্য দিয়েই সবকিছু পরিচালিত হবে। সরকারি নীতিমালার মাধ্যমে সবকিছুই পরিচালিত হবে। ফলে এখানে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বসবাসের কোন সুযোগ থাকবে না। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহর প্রসারিত হবে। প্রধানমন্ত্রী হয়তো শীঘ্রই এই শহরকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপান্তরের ঘোষণা দিবেন। সবকিছুই হবে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে। ফলে এখানে অনেক উন্নয়ন কর্মকাÐ পরিচালিত হবে। পাল্টে যাবে শহরের চেহারা। আমাদের সেই পরিবর্তনের কথা মাথায় রাখতে হবে। পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হবে। যাঁরা খাপ খাওয়াতে পারবেন। তাঁরাই সফল হবেন।

মন্ত্রী গতকাল ২২ ফেব্রæয়ারি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এ কথা বলেন। বিকেলে শহরের হিলডাউন সার্কিট হাউসের মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা (অ্যাডভোকেট) এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলাপরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সংসদ-সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ-সদস্য আশেক উল্লাহ্ রফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহ্ উদ্দিন আহমদ সিআইপি, কউক চেয়ারম্যান লে.কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম প্রমুখ।
মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার ভ‚মিহীনদের মাঝে খাস জমি বিতরণের নানান উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কক্সবাজার জেলার ভ‚মিহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প হাতে নেয়া হবে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাসহ পেশাজীবীদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দের বিষয়টিও সরকারের ভাবনায় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের র‌্যাবের অভিযান প্রসঙ্গে সরাসরি কিছু না বললেও ইঙ্গিতের সুরে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি আমি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে নির্দেশ দেয়ায় অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন