ad

কক্সবাজারে সালমার দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

কিছুদিন আগেই সানাউল্লাহ নূরী সাগরকে বিয়ে করেন সংগীতশিল্পী ও ক্লোজআপ ওয়ান তারকা মৌসুমী আক্তার সালমা। সবই ঠিকঠাক যাচ্ছিল তাদের। এর মধ্যেই সাংসারিক জীবন নিয়ে নতুন খবরের শিরোনাম হলেন সালমা। তার স্বামী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করলেন সাবেক স্ত্রী’র মা। নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে সাগরের বাবা সাখাওয়াত হোসেন এবং মা সুরাইয়াকেও। কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলা দায়ের করেছেন সাগরের প্রথম স্ত্রী পুষ্মীর মা দিলারা খানম। মামলা নম্বর ২৫৪। এরই মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

এমনকি গ্রেপ্তারের জন্য ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানায় পরোয়ানা পাঠিয়েছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ এ.এইচ.এম মাহমুদুর রহমান। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩রা জুন সানাউল্লাহ নূরী সাগরের সঙ্গে দিলারা খানমের মেয়ে তাসনিয়া মুনিয়াত (পুষ্মী)’র ২০ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিয়া মুনিয়াত (পুষ্মী)কে বিয়ের পর থেকে বিভিন্নভাবে যৌতুকের জন্য সাগর চাপ দিতে এবং শারীরিক নির্যাতন করতে থাকেন। পুষ্মীর মা দিলারা খানম তিন কিস্তিতে ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন। সে টাকা দিয়ে সানাউল্লাহ নূরী সাগর লন্ডনে বার-অ্যাট-ল’ পড়ার জন্য ভর্তি হন। এজাহারে আরো উল্লেখ রয়েছে, সাগর দেশে এসে কাউকে না জানিয়ে ক্লোজআপ তারকা সালমাকে গোপনে বিয়ে এবং নিজেকে অবিবাহিত দাবি করেন। কিন্তু মিডিয়ার বদৌলতে এ খবর জানাজানি হয়ে যায়। ১৯৯১ সালের ১৫ই জুন জন্মগ্রহণ করা সানাউল্লাহ নূরী ওরফে সাগরের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে। তাসনিয়া মুনিয়াত (পুষ্মীর) বাবা কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যাপক এম আখতার আলম। তিনি কুতুবদিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। মা দিলারা খানমও একজন স্কুল শিক্ষিকা। গত বছর ৩১শে ডিসেম্বর সালমা ও সাগরের বিয়ে হয়। এর আগে ২০১১ সালে সালমার সঙ্গে শিবলী সাদিকের বিয়ে হয়েছিল। এরপর ২০১৬ শিবলী সাদিকের সঙ্গে সালমার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এসব বিষয়ে সালমার সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, আমি সাগরকে অবিবাহিত জেনেই বিয়ে করেছি। তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কেউ পেছনে লেগেছে। এমন খবর ভিত্তিহীন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন