এবার প্রকাশ্যে ইয়াবা কারবারি রোহিঙ্গা জিয়াবুল

উখিয়া প্রতিনিধি::

ইয়াবা ব্যাবসায়ী জিয়াবুল

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ইয়াবা মহাজন বার্মাইয়া জিয়াবুল পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে কিছুদিন আঘে আত্মগোপন করলেও এখন রয়েছে প্রকাশ্যে। সম্প্রতি কুতুপালংস্থ ভাড়া বাসায় জিয়াবুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেপ্তার এড়াতে জিয়াবুল আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে যায়। ঐদিন রাত গভীর পর্যন্ত কুতুপালংয়ের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে জোর তদবির চালায় পুলিশি গ্রেপ্তার ও মামলা থেকে রেহাই পেতে। জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ মিয়ানমারের রাইম্যাখালী থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান নিয়ে তুমব্রু সীমান্ত পাড়ি দিয়ে কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে রাতে পাহাড়ি পথে আসছিল নুরুল ইসলাম নামক মিয়ানমারের এক যুবক। ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের একটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘুমধুম রাবার বাগান সংলগ্ন এলাকায় ওৎ পেতে থেকে ইয়াবার চালান বহনকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। ইয়াবাসহ আটক মিয়ানমারের তুমব্রু এলাকার নাগরিক নুরুল ইসলামের দেহ তল্লাশি চালিয়ে ১০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই সময় আটক মিয়ানমার নাগরিক নুরুল ইসলাম স্বীকারোক্তিতে বলেন, ইয়াবাগুলো কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থানকারী জিয়াবুল হকের। জিয়াবুল এক সময় মালয়েশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে সফর করে রোহিঙ্গাদের নামে অর্থ সংগ্রহ করতো। বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে এদেশে চলে এসে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে মরণঘাতক ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিল। জিয়াবুলের ইয়াবার বৃহৎ চালান আসার খবর পেয়ে পুলিশ আগে থেকে জংগলে ওৎ পেতে থাকে। ভাগ্যিস ছোট চালান পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও বৃহৎ চালান পিছন দিক থেকে কৌশলে সটকে পড়ে। আটককৃত নুরুল ইসলাম ও জিয়াবুল হক কে প্রধান আসামী করে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার মামলা নং- ০৫/২০১৭ইং। তারিখঃ ২৫/৪/২০১৭ইং। ধারা ১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর ৯ (খ) তৎসহ বৈদেশিক নাগরিক আইনের ১৪ ধারা।